কথায় বলে, বন্ধুত্বই প্রেমের প্রথম ধাপ। অনেকেই মনে করেন প্রিয় বন্ধুকে বিয়ে করলে জীবনটা রূপকথার মতো সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটা কি আপনি ভেবে দেখেছেন? সাম্প্রতিক মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—সব সময় প্রিয় বন্ধুকে বিয়ে করা সুখের নাও হতে পারে। বরং এতে তৈরি হতে পারে একাধিক জটিলতা।
প্রথমত, ‘সারপ্রাইজ’ বা নতুনত্বের অভাব। বন্ধু হিসেবে আপনি আপনার সঙ্গীর সব ভালো-মন্দ, অতীত এবং স্বভাব আগে থেকেই জানেন। ফলে বিয়ের পর একে অপরকে নতুন করে আবিষ্কার করার যে আনন্দ বা রোমাঞ্চ, তা অনেক ক্ষেত্রেই হারিয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, ঝগড়া মেটানোর জায়গার অভাব। সাধারণ বিয়ের ক্ষেত্রে ঝগড়া হলে আমরা বন্ধুর কাছে গিয়ে মনের কথা বলি। কিন্তু বন্ধুই যদি জীবনসঙ্গী হয়, তবে মান-অভিমানের সময় আপনার সেই ‘সেফ জোন’ বা আশ্রয়ের জায়গাটি আর থাকে না।
সবথেকে বড় ঝুঁকি হলো বন্ধুত্বের মৃত্যু। কোনো কারণে যদি দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ আসে, তবে আপনি কেবল একজন জীবনসঙ্গীকেই হারাবেন না, আপনার আজীবনের প্রিয় বন্ধুটিকেও চিরতরে হারাবেন। এছাড়া অতিরিক্ত খোলামেলা সম্পর্কের কারণে অনেক সময় পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাব দেখা দিতে পারে। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আবেগের পাশাপাশি এই বাস্তব দিকগুলোও মাথায় রাখা জরুরি।