জরায়ুমুখে ক্যান্সার হওয়ার অন্যতম লক্ষণ হলো অনিয়ন্ত্রিত মাসিক হওয়া। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন, প্রতি মাসে মাসিক অতিরিক্ত হওয়া কিংবা ইন্টারমিটেন্ট অর্থাৎ দুটি মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে রক্তক্ষরণ হওয়া। আবার এর ভিন্ন লক্ষণও দেখা দেয়। যেমন, অনেকের সহবাসের পর রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে। এ উপসর্গগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি দেখা দিলেই দ্রুত গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া সাদা কিংবা লালচে স্রাব নিঃসৃত হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুঁজ বের হতে পারে।
উপসর্গ দেখামাত্রই দ্রুত অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
সময় মতো সঠিক চিকিৎসা পেলে জরায়ুমুখের ক্যান্সার সম্পূর্ণ ভালো হয়। এই ক্যান্সারের টিকাও আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে সময় মতো রোগ নির্ণয় করা না গেলে মৃত্যু ঝুঁকি আছে। সারাবিশ্বে জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্তদের অর্ধেক মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়