চুলের গোড়া মজবুত করতে ঘরোয়া উপটান, খুশকি থাকবে দূরে! জানুন বিস্তারিত

খুশকি হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে, যেমন-
১. নিয়মিত চুল ব্রাশ না করা।
২. প্রচুর মাত্রায় প্রতিদিন তেল ব্যবহার করা।
৩. শ্যাম্পু নিয়ম মতো ব্যবহার না করা।
৪. স্ট্রেটনিং, স্মুথনিং ইত্যাদির সময় অতিরিক্ত গরম চুলের গোড়ায় ব্যবহার করা হয় বা অনেকেই নিজের বাড়িতে স্ট্রেটনার ব্যবহার করেন, তা থেকেও খুশকির সমস্যা হতে পারে।
তবে আনন্দের কথা, এই সমস্যা সমাধানযোগ্য! ইন ফ্যাক্ট, ত্বক ও চুলের সমস্যার সমাধানে ঘরোয়া উপটানের জুড়ি মেলা ভার! তা হলে চলো দেখে নিই সাতটি এমন উপায়, যাতে খুশকি হবে চটজলদি ছু মন্তর !
১. রসুন এবং মধুর মিশ্রণ : রসুন লাগবে ১০ থেকে ১১ কোয়া এবং ২ চামচ মধু। দু’টি দিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট বানাতে হবে। স্ক্যাল্পে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে এবং শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। রসুন অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং ক্ষতিকর মাইক্রোবস দূর করে।
২. ভিনিগার : ভিনিগার খুশকির সমস্যার মোক্ষম ওষুধ। সপ্তাহে একদিন পরিমাণমতো দুই থেকে তিন চামচ ভিনিগার এবং দু’চামচ জল মিশিয়ে তা স্ক্যাল্পে লাগিয়ে রাখতে হবে ১০ মিনিট। এবং পরে চুল ধুয়ে নিতে হবে।
৩. টি ট্রি এবং নিমের নির্যাস : নিম পাতা হালকা বেটে নিয়ে একটা পেস্ট বানাতে হবে এবং তাতে দিতে হবে দু’ থেকে তিনফোঁটা টি ট্রি অয়েল! কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে জল দিয়ে বা শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪. মেহেন্দি : মেহেন্দি চুলের জন্য খুবই পুষ্টিকর। মেহেন্দি প্রথমে মেশাতে হবে, চায়ের লিকার এবং ডিমের সাদা অংশ দিয়ে। আলতো হাতে মাসাজ করলে ভাল। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে শ্যাম্পু দিয়ে।
৫. টক দই : টক দইয়ের সঙ্গে অল্প একটু পাতিলেবুর রস মিশিয়ে বানাতে হবে স্মুথ পেস্ট। স্ক্যাল্পে লাগিয়ে রেখে দিতে হবে এক ঘণ্টা মতো। হালকা হাতে মাসাজ করে জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
৬. কমলালেবুর রস এবং খোসা : শীতকালে কমলালেবু সকলের হাতের কাছেই থাকে। কমলার রসের সঙ্গে খোসা দিয়ে একটা মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে হবে, সঙ্গে দিতে হবে দু’ফোঁটা পাতিলেবুর রস। চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট মতো। পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
৭. গ্রিন টি : নিজেদের ফিগার সম্পর্কে এখন বেশির ভাগ মানুষই সচেতন। তাই গ্রিন টি এখন বেশির ভাগ বাড়িতেই থাকে। গরম জলে দু’ থেকে তিনটে গ্রিন টি ব্যাগ ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে ৩০ মিনিট মতো। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
খুশকির সমস্যা দূর করতে এই উপকরণগুলো ব্যবহার করা যেতেই পারে। কারণ চুল আমাদের সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ।