বাড়িঘর বা আসবাবপত্র পরিষ্কার করার সময় আমরা প্রায়শই এমন কিছু ভুল করে থাকি, যা ময়লা পরিষ্কারের পরিবর্তে জিনিসগুলোকে আরও নোংরা করে দেয়, বা উল্টে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়। এই ভুলগুলো শুধরে নিয়ে ঘরকে সঠিকভাবে পরিষ্কার করার জন্য রইল কিছু সহজ ও কার্যকরী টিপস।
❌ পরিচ্ছন্নতার ৭টি বহুল প্রচলিত ভুল ও সঠিক উপায়
| ভুল অভ্যাস | সঠিক উপায় |
| ১. একই ন্যাকড়া দিয়ে সব পরিষ্কার করা। (এক জায়গার জীবাণু অন্য জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া) | প্রতিটি রুমের জিনিস পরিষ্কারের জন্য আলাদা পেপার টিস্যু বা মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পর কাপড় ধুয়ে ফেলুন। |
| ২. পালকের ঝাড়ু ব্যবহার। (ধুলো আঁকড়ে না ধরে ছড়িয়ে দেওয়া) | আসবাবপত্রের উপরিভাগের ময়লা পরিষ্কারের জন্য মাইক্রোফাইবার পরিষ্কারক কাপড় বা পেপার টাওয়াল ব্যবহার করুন। |
| ৩. ভ্যাকুয়াম ক্লিনার অপরিষ্কার রাখা। (বাতাসে ময়লা ও জীবাণু ফিরিয়ে আনা) | ভ্যাকুয়ামের ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার বা পরিবর্তন করতে হবে। নয়তো মেশিনটি ঠিকভাবে ময়লা টানতে পারবে না। |
| ৪. টয়লেট ব্রাশ ভেজা অবস্থায় ঢেকে রাখা। (ব্রাশে জীবাণু জমতে দেওয়া) | ব্রাশটি ব্যবহারের পর পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত ঢাকনা লাগিয়ে দেবেন না। |
| ৫. মেঝে পরিষ্কারের আগে আসবাবপত্র মোছা। (মেঝে পরিষ্কারের পর আবার ধুলো নামানো) | প্রথমে আসবাবপত্র, পর্দা ও দেওয়াল থেকে ধুলাবালি মুছে নিন, তারপর মেঝে ঝাড়ু দিন বা মোছুন। |
| ৬. আসবাবপত্রে সরাসরি স্প্রে করা। (ময়লা আটকে থাকা বা দাগ পড়ে যাওয়া) | মাইক্রোফাইবার কাপড় বা পেপার টাওয়ালে স্প্রে করার পর সেটি দিয়ে কাঁচ বা আসবাবপত্র মুছতে হবে। |
| ৭. বাসন ধোয়ার সাবান দিয়ে চপিং বোর্ড পরিষ্কার। (বোর্ডের ব্যাকটেরিয়া খাবারে ছড়িয়ে দেওয়া) | চপিং বোর্ড পরিষ্কার করতে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড বা ব্লিচ সলিউশন (২ টেবিল চামচ ব্লিচ ও ১ গ্যালন জল) ব্যবহার করুন। ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। |
মনে রাখবেন:
পাশাপাশি, ওয়াশিং মেশিনও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে, কারণ ড্রামে লেগে থাকা ডিটারজেন্ট, জীবাণু ও দাগ কাপড়ের মাধ্যমে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার ঘর থাকবে truly জীবাণুমুক্ত।