কেনাকাটায় স্বামীকে পাশে পান না? এই টিপসগুলো বদলে দেবে আপনার শপিংয়ের অভিজ্ঞতা!

ঝলমলে শপিং মলে ঘুরে ঘুরে নতুন জিনিস কেনা, কিংবা পছন্দের দোকানে চোখ বুলিয়ে উইন্ডো শপিং করা – এসব কিছু যেন মেয়েদের কাছে এক অন্যরকম আনন্দ। কিন্তু মুশকিলটা হলো, এই আনন্দঘন মুহূর্তে অনেক সময় স্বামীদেবতাটিকে পাশে পাওয়া যায় না! যদিও বা কখনও রাজি হন, তাঁদের চিরতা খাওয়া মুখ দেখে শপিংয়ের অর্ধেক আনন্দই মাটি হয়ে যায়। তাহলে কি মেয়েরা শপিংয়ের মতো ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কাজ একাই সারবেন? একেবারেই না! বরং এমন কিছু উপায় আছে, যা আপনার শপিংয়ের অভিজ্ঞতাকে স্বামীর কাছেও আনন্দময় করে তুলতে পারে। চলুন, দেখে নেওয়া যাক সেই টিপসগুলো:
১. আগেভাগে প্ল্যান করুন
আপনি যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা এ দোকান সে দোকান ঘুরে জিনিস দেখেন, আপনার স্বামী হয়তো তখন বোর হয়ে যান। আসলে, দ্রুত শপিং সারতে অনেকেরই ভালো লাগে না, মনে হয় আরও একটু দেখি। কিন্তু যেদিন ওঁর সঙ্গে শপিংয়ে বেরোবেন, সেদিনটা একটু দ্রুত সারার চেষ্টা করুন। মনে মনে আগে থেকেই প্ল্যান করে নিন আপনার কী কী কেনার আছে এবং কোথা থেকে কিনবেন। কেনাকাটার ব্যাপারটা যদি ওঁর সঙ্গে বেরোনোর দিনগুলোয় তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে পারেন, তাহলে পরে আর উনি শপিংয়ে যেতে আপত্তি করবেন না বলেই মনে হয়।
২. শুধু নিজের জিনিস কিনবেন না
গোটা দিন জুড়ে কেবল নিজের জন্য শপিং করে গেলে চলবে না। এটা একটা স্বার্থপরের মতো কাজ হবে। ওঁর কী কী লাগবে, সেটাও জিজ্ঞেস করে নিন। ওঁর জিনিসপত্র কেনাতেও সময় দিন। এতে তিনি বুঝবেন যে আপনি শুধু নিজের কথা ভাবছেন না, ওঁর প্রয়োজনকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন।
৩. মাঝে মাঝে ব্রেক দরকার
একটানা ঘোরাঘুরি করলে একঘেয়েমি এবং বিরক্তি আসা খুবই স্বাভাবিক। তাই যদি অনেকক্ষণ ধরে কেনাকাটার প্ল্যান থাকে, তাহলে মাঝে মাঝে রেস্তোরাঁ বা কফিশপের বিরতি নেওয়া আবশ্যক। এতে দু’জনেই তরতাজা হয়ে উঠবেন এবং শপিংয়ের বাকিটা সময় আরও উপভোগ করতে পারবেন।
৪. লঁজারি শপিং করুন
কেনাকাটা যে করতে ভালোবাসে না, তার কাছে ব্যাপারটা সত্যিই একঘেয়ে। আপনার স্বামীও যদি এই দলেই পড়েন, তাহলে কেনাকাটার ব্যাপারে ওঁর আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে ওঁকে নিয়ে লঁজারি শপিংয়ে যেতে পারেন। গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়, এতে একঘেয়েমি কিছুটা হলেও কাটবে!
৫. শপিং ব্যাগ ভাগ করে নিন
দয়া করে সব ক’টা প্যাকেট ওঁর হাতেই চাপিয়ে দেবেন না! প্যাকেটের ওজন বুঝে মোটামুটি সমানভাবে দু’জনে ভাগ করে নিন। এতে তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে কম চাপ অনুভব করবেন এবং পরের বার শপিংয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন।
এই টিপসগুলো মেনে চললে আপনার শপিংয়ের অভিজ্ঞতা আরও আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে এবং আপনার স্বামীও হয়তো সানন্দে আপনার শপিং পার্টনার হতে রাজি হবেন।