ওজন কমাতে শুধু শরীরচর্চা করলেই হবে না, সেই সঙ্গে ডায়েটও মেনে চলতে হবে। ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ সকাল এবং রাতের উল্টা পাল্টা খাবার। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকালের খাবারের দিকে নজর রাখুন। একটু ভেবে চিন্তে খাবারের তালিকা করুন।প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট সবই খেতে হবে পরিমাণ মতো। ব্রেকফাস্ট খুব ভালো খেতে হবে।
ব্রেকফাস্ট সবসময় হবে লো ক্যালোরির। কিন্তু ফাইবার বেশি থাকতে হবে। সেই সঙ্গে প্রকৃতিগত ভাবে সুমিষ্ট এরকম কোনো একটা ফল খান। ইনস্ট্যান্ট ওটস প্যানকেক খাবেন না। এতে সুগার বেশি পরিমাণে থাকে। বরং নিজে বাড়িতে বানিয়ে নিন ওটসের প্যানকেক। ওটস খেলে মিশিয়ে নিন আমন্ড আর আপেল। বেকন একেবারেই এড়িয়ে চলুন। ব্রেকফাস্টে ডিমের কোনো পদ বানালে সবসময় ননস্টিক ব্যবহার করুন। এতে তেল, মাখন খুবই কম লাগে। তবে দুধ দিয়ে কর্নফ্লেক্স, ওটস এসব চলতেই পারে।
ব্রেকফাস্ট নিয়ে বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণাও রয়েছে আমাদের মধ্যে। জেনে নিন সেগুলো কী কী-
ব্রেকফাস্ট দিনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার
শুধুমাত্র ব্রেকফাস্টই নয়, দিনের মধ্যে প্রতিটি মিলই গুরুত্বপূর্ণ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে। নিয়ম মেনে খেলে তবেই কমবে ওজন।
ব্রেকফাস্ট মেটাবলিজম বাড়ায়
আমরা যখন খাবার খাই তখন কিন্তু আমাদের ক্যালোরি বার্ন হয়। সেই সঙ্গে খাবার হজম করানোর জন্যেও কিন্তু শরীরের শক্তির প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্রেকফাস্ট ঠিক করে খেলেই মেটাবলিজম ভালো থাকবে, বিষয়টা এরকম নয়।
ক্যালোরি মেপে সকালের খাবারে কী কী খেতে পারেন জেনে নিন-
৩০০ ক্যালোরির ব্রেকফাস্ট
আমন্ড আর দুধ দিয়ে ওটস/ ডিমের সাদা অংশ, পেঁয়াজ কুচি আর গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে সালাদ বা আপেল, কলা ও পালং শাক দিয়ে তৈরি স্মুদি।
৪১৬ ক্যালোরির ব্রেকফাস্ট
এক কাপ দুধ, এক পিস পাঁউরুটি পিনাট বাটার দিয়ে, একটা আপেল। পাঁউরুটি না খেলে একটা আটা দিয়ে তৈরি মাফিন।
৪১৪ ক্যালোরির ব্রেকফাস্ট
একপিস পাঁউরুটি জ্যাম দিয়ে, ভ্যানিলা ইয়োগার্ট- ৬ আউন্স, একটা ছোট কলা, আটা আর গুড়ের তৈরি কেক এক টুকরো