শরীরের অতিরিক্ত ওজন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি গবেষণায় একজন বলেছেন, কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত ওজনের জন্য দায়ী। অতিরিক্ত ওজনও কোলনের ডান দিকে টিউমারের সঙ্গে যুক্ত। চিনি-মিষ্টি পানীয় বেশি খেলে, সেইসাথে রেডমিট এবং প্রসেসড মাংস খেলেও ঝুঁকি বাড়ে।
কখন সতর্ক হওয়া প্রয়োজন?
মলদ্বারে রক্তপাত, আয়রনের ঘাটতির মতো লক্ষণগুলিতে সাবধান থাকা উচিত।
অল্প বয়সীদের কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ (Colon Cancer Signs)
কম বয়সী রোগীদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হল পেটে ব্যথা, ওজন হ্রাস, মলের চেহারা ও আকার পরিবর্তন এবং রেকটাল রক্তপাত।
এই লক্ষণগুলিকে হালকাভাবে নেবেন না
হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এবং ভাইস চেয়ার অ্যান্ড্রু চ্যান বলেন, “তরুণদের প্রবণতা রয়েছে যে তারা নিজেদের তরুণ এবং সুস্থ ভাবেন। যদি তাদের কিছু উপসর্গ থাকে, তাহলে তা ক্ষণস্থায়ী বা উদ্বেগজনক কিছু নয়।”
পাকস্থলীর ক্যান্সারকে সাধারণ গ্যাস মনে করবেন না
ডাক্তাররা বলছেন, কোলন ক্যান্সার এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দুটোই আলাদা। কখনও কখনও লক্ষণগুলি একইভাবে আবির্ভূত হয়। পেটে, যখন ক্যান্সার কোষগুলি অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং পেটে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একে গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারও বলা হয়। গ্যাসের সমস্যার মধ্যে রয়েছে অ্যাসিড, পেটে জ্বালাপোড়া করে।