সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা ঘন ঘন ঘুমান তাদের উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। ঘুম শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে অসময়ে কয়েক ঘণ্টার ঘুম স্বাস্থ্যকে আরও ঝুঁকিতে ফেলে।
সমীক্ষা ঘুম সম্পর্কে কী বলে?
গবেষণায় বলা হয়েছে, ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ হলেও রাতে যারা অপর্যাপ্ত ঘুমান ও দিনে একাধিকবার কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘুমান তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বেশি। রাতে খারাপ ঘুম একজন ব্যক্তির সামগ্রিক স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষণাটি ইউকের বায়োব্যাঙ্কের ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫১ জন অংশগ্রহণকারীদের উপর করা হয়েছিল। যারা গবেষণার শুরুতে উচ্চ রক্তচাপ বা স্ট্রোক মুক্ত ছিলেন।গবেষকরা দেখেছেন, নির্ঘুম থাকার চেয়ে ঘন ঘন ঘুমানো উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও ইস্কেমিক স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।৪ বছরের গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়মিত ভিত্তিতে রক্ত, প্রস্রাব, লালার নমুনা ও ঘুমের সময়কাল নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়।
অতিরিক্ত ঘুম কেন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়?
শুধু এই গবেষণাই নয়, আরও অনেক গবেষণায় অতিরিক্ত ঘুমানোর ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, দিনের বেলা যারা ঘুমান তাদের মধ্যে হতাশা ও বিষণ্নতা বেশি। যারা দিনের বেলা ঘন ঘন ঘুমান তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যেই খারাপ প্রভাব পড়ে।
কখন ও কতক্ষণ ঘুমানো উচিত?
ঘুমের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। তবে তা হতে হবে সঠিক সময়ে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দিনের বেলা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমানোর পরিবর্তে কয়েক মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুম ক্লান্তি দূর করে ও মস্তিষ্ককে কার্যক্ষম রাখে। দিনের বেলা ঘুমানোর আদর্শ সময়কাল ৩০-৬০ মিনিটের মধ্যে। যা একবারই নেওয়া উচিত। আর রাতে অবশ্যই একটানা ৬-৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি