মাংসের ‘রেয়ার স্টেক’ খাওয়া কী আদৌ নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতামত জেনেনিন

কাঁচা মাংস
কাঁচা মাংস খাওয়ার অপকারিতাই বেশি, এটাই জানি আমরা। ‘রেয়ার স্টেক’ সাধারণত পুরোপুরি সিদ্ধ করা হয় না। অল্প রান্না করা থাকে। রান্নার পরেও ভেতরটা লাল এবং নরম থাকে।

অনলাইন ওয়েব সাইট, হেল্থ লাইন এ বলা হয়েছে কাঁচা মাংস শরীরের জন্য ভালো নয়। পুরো বিশ্বেই, কোনো না কোনো দেশে কাঁচা মাংস খাওয়ার প্রচলন আছে। কাঁচা মাংস ফুড পয়েজনিং ঘটাতে পারে। এছাড়াও আছে অন্যান্য রোগের ঝুঁকি। কাঁচা মাংসে থাকা ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন ঘটাতে পারে। যেমন – সালমোনেলা বা ই-কোলাই। তবে মাংস ভালোভাবে রান্না করলে ব্যাকটেরিয়া মরে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার, রেডমিট মাংস খাওয়ার আগে ১৪৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের রান্নায় পরামর্শ দেয়। কারণ বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়া এই তাপমাত্রায় মারা যায়। তবে জানেন কী, কাঁচা মাংস থেকে এই ব্যাকটেরিয়া বেশি পরিমাণে ছড়ায়।

আরেটি ওয়েবসাইড সাইন্স এ বি সি থেকে জানা যায়, মাছে সাধারণত ব্যাকটেরিয়া কম থাকে। তাছাড়া মাছ মারার পর দ্রুত খওয়া হলে বা সাথে সাথেই ফ্রিজে রেখে দিলে বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।

‘রেয়ার স্টেক’খাওয়া যাবে?
এত কিছু জানার পরেও রেয়ার স্টেক খাবেন? উত্তর হচ্ছে খেতে পারেন। তবে যদি এটিকে ঠিকঠাক ভাবে রান্না করা হয়। ডিলাইট কুকিং নামে একটি ওয়েবসাইড অনুসারে, স্টেকে থাকা বেশিরভাগ ব্যকটেরিয়া মাংসের চারদিকে থাকে। কিছু ব্যাকটেরিয়া স্টেকের মাঝে থাকতে পারে। তবে এর পরিমার খুব একটা বেশি না। তাই আপনি যদি সৌভাগ্যবান হন তবে অসুস্থ নাও হতে পারেন। সাইন্স এবিসিও জানিয়েছে, বেশিরভাগ স্টেকের ব্যাকটেরিয়া মাংসের ভেতরে প্রবেশ করার জন্য খুব ঘন নয়। তবে এখনো অনেকে পরামর্শ দেয় রেয়ার স্টেক না খাওয়ার জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের সাটিফাইট অ্যাঙ্গাস বিফ, মাংস বিক্রয়কারী একটি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, রেয়ার স্টেক রান্না করতে হয় ১২৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায়। তারা রান্নার সময় থার্মোমিটার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে।

আবার টুডে নামে একটি ওয়েব সাইট থেকে জানা যায়, রেড মিট যখন কিমা করা হয় তখন ব্যকটেরিয়া চারপাশ থেকে পুরো মাংসে ছড়িয়ে দেয়। তাই হ্যাম বাগার খাওয়া খুব একটা নিরাপদ নয় বলে তারা মনে করেন।

Related Posts

© 2025 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy