প্রিয়জনের কষ্টে সাথে থাকবে ঠিক যেসব কারণে! জেনেনিন বিস্তরিত ভাবে

দুঃখ, কষ্ট কিংবা যন্ত্রণার সময় প্রিয়জনের ভরসা প্রয়োজন হয়। আমরা স্বভাবতই না জেনে হলেও প্রিয়জনের হাত ধরে থাকি কষ্টের সময়! তবে এর পেছনে আছে ইতিবাচক দিক। দুঃখ কিংবা যন্ত্রণার সময় প্রিয়জনের হাত ধরলে শরীরে কী ঘটে জানেন কি? সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন, কষ্টের সময় প্রিয়জনের হাত ধরলে মুহূর্তেই মেলে প্রশান্তি। এমনকি প্রিয়জনের স্পর্শে ব্যথাও কমে যায়। যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।

ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডোর বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন আমরা সঙ্গী অথবা প্রিয়জনের সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করি; তখন মস্তিষ্কে এক প্রকার তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। যা দুঃখ-কষ্ট ও যন্ত্রণা কমাতে কার্যকরী ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স জার্নালে প্রকাশ পায়। এ গবেষণার জন্য ২৩ থেকে ৩২ বছর বয়সী বেশ কয়েকজন জুটির মধ্যে ১ বছর ধরে একটি সমীক্ষা চালান।

সমীক্ষাতে দেখা যায়, দুঃখ, কষ্ট ও যন্ত্রণার সময় যে ব্যক্তি সঙ্গীকে স্পর্শ না করে সময় কাটিয়েছেন তাদের তুলনায়; যে ব্যক্তি তার সঙ্গীর হাত স্পর্শ করেছেন তার কষ্ট অনেক কমে গিয়েছে।

স্পর্শ করার সঙ্গে কষ্ট দূর হওয়ার সম্পর্ক কী? গবেষণার প্রধান লেখক লিন্ডেন জানিয়েছেন, ‘কষ্টের সময় প্রিয়জনের হাতের স্পর্শে ওই ব্যক্তির মস্তিষ্কে এক প্রকার তরঙ্গের সৃষ্টি হয়।’

‘মূলত মস্তিষ্কের সোমটোসেনসরি কর্টেক্স নামক স্থান থেকেই আমরা শরীরের কোথাও ব্যথা হলে উপলব্ধি করতে পারি। স্পর্শ করা ফলে দেহ থেকে মেরুদন্ডে এবং মস্তিষ্কে ওই সংকেত আসে। ফলে এক প্রকার তরঙ্গের সৃষ্টি হয় বলে জানান গবেষক। যখন কেউ কষ্টে থাকেন বা ব্যথা পান; তখন সঙ্গী যদি তার হাত দু’টি চেপে ধরলেই সুফল মিলবে। এতে সহানুভুতির সৃষ্টি হয়। যা দুঃখের সময় সবচেয়ে বেশি কাজে দেয়।