প্রায়ই পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করেন? এই বিষয়গুলি জেনেনিন তাহলে

এ কথা খুবই দুঃখের হলেও সত্যি যে আমাদের দেশে পাবলিক টয়লেটের হাল অতি খারাপ। জনসংখ্যার তুলনায় তার সংখ্যা হাতে গোনা। যেগুলি আছে, পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে তার হাল কহতব্য নয়। যাঁরা ঘন ঘন ট্র্যাভেল করেন এবং ট্রেন বা প্লেনের বাথরুম ব্যবহার করতে হয় সেই কারণে তাঁরা হাড়ে-হাড়ে জানেন স্টেশন-এয়ারপোর্ট সর্বত্র কী হাল থাকে টয়লেটের। অনেক মেয়ে তো বাথরুমে যাওয়ার ভয়ে এই সব দিনগুলোতে জল খাওয়াই বন্ধ করে দেন এবং সে কারণে নানা জটিল শারীরিক সমস্যার মুখোমুখিও পড়তে হতে পারে। ডাক্তাররা বারবার এই ভুলটি না করার পরামর্শ দেন। কিন্তু এই সব ব্যস্ততার দিনগুলোতে কী করা যায়, সে সম্পর্কেও কোনও পরিষ্কার ধারণা নেই কারও কাছে। কাজে লাগার মতো কয়েকটি টিপস দিতে পারি আমরা।

টয়লেট সিট স্যানিটাইজ়ার ব্যবহার করুন: আজকাল টয়লেট সিট স্যানিটাইজ়ার কিনতে পাওয়া যায়, আগে তেমন কিছু একটা সংগ্রহ করুন। অতি অবশ্যই টয়লেট সিটের উপর তা ছড়িয়ে নিন, টিস্যু পেপার দিয়ে ভালো করে মুছুন, একবার ফ্লাশ করুন তার পর ব্যবহার করবেন। পাওয়া যায় ডিসপোজ়েবল সিট কভারও, তেমন কিছুও ব্যবহার করতে পারেন।

কোনও অবস্থাতেই টয়লেটের মেঝেতে নিজের জিনিসপত্র রাখবেন না: পাবলিক টয়লেটের মেঝেতে জিনিসপত্র রেখে কখনও, কোনও পরিস্থিতিতেই টয়লেট ব্যবহার করবেন না। যদি দরজায় ঝোলানোর আংটা লাগানো থাকে, সেখানেই ব্যাগ ঝুলিয়ে রাখুন। মোবাইল ফোন ব্যাগের মধ্যে রাখুন, বাইরে কোথাও রাখবেন না।

ফ্লাশ করার আগে টিস্যু পেপার জড়িয়ে নিন হাতে: ফ্লাশ বাটনটি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার আখড়া, তাই আঙুলে টিস্যু পেপার জড়িয়ে তবেই ফ্লাশ বাটন টিপুন। বাইরে বেরিয়ে অবশ্যই গরমজলে হাত ধুয়ে নিন।

হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার সঙ্গে রাখুন সব সময়: টয়লেটের দরজার নবেও প্রচুর জীবাণু থাকে। তাই বেরিয়ে এসে একবার হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার ব্যবহার করবেন অবশ্যই।

মনে রাখবেন, পাবলিক টয়লেট পরিচ্ছন্ন রাখার দায়বদ্ধতা আপনারও আছে। তাই টয়লেট ব্যবহারের পর অবশ্যই ফ্লাশ করুন। যেখানে-সেখানে টিস্যু পেপার ফেলবেন না। ব্যবহৃত ন্যাপকিন যথাযথভাবে মুড়ে নির্দিষ্ট বিনে ফেলুন। কল খুলে রেখে চলে আসবেন না। পরের জনের ব্যবহারের উপযোগী করে তবেই টয়লেট থেকে বেরনো উচিত।

Related Posts

© 2025 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy