ভালো ঘুম সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। অন্যদিকে অনিদ্রা কিংবা ঘুমের সমস্যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা ডেকে আনে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে অনিদ্রার সমস্যা বিশ্বের ছোট-বড় সব সয়সী মানুষই কমবেশি ভুগছেন। এর কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন।
ঘুমের প্রয়োজনীয়তা ও ঘুম সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সচেতনতার লক্ষ্যে প্রতিবছর ১৮ মার্চ সারাবিশ্বে পালিত হয় ‘বিশ্ব ঘুম দিবস’।
২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর ১৮ মার্চ পালিত হচ্ছে বিশ্ব ঘুম দিবস। ঘুম দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ও স্লোগান হলো ‘গুণমানের ঘুম, সাউন্ড মাইন্ড, হ্যাপি ওয়ার্ল্ড’।
দৈনিক কত ঘণ্টা ঘুম জরুরি? ঘুমের আদর্শ দৈর্ঘ্য নির্ধারণে বয়সের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণার তথ্য অনুসারে, একজন প্রাপ্তবয়স্কের উচিত দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো।
ওয়ার্ল্ড স্লিপ সোসাইটি এই ঘুম দিবস নিয়ে কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের উদ্যোগেই শুরু হয় এই বিশেষ দিন উদযাপন।
বিশ্ব ঘুম দিবসের প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন আপস্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটির নিউরোলজির অধ্যাপক ও নিউ ইয়র্কের কমিউনিটি জেনারেল হাসপাতালের দ্য স্লিপ সেন্টারের পরামর্শদাতা আন্তোনিও কুলেব্রাস