যখনই বাড়িতে দুধ ফেটে যায়, তখন তা থেকে ছানা তৈরি করা হয়। কিন্তু আমরা তারপর একটা ভুল করি। ছানা বানানোর পর যে জল থাকে তা ফেলে দিই। যে জল আমরা বর্জ্য ভেবে ফেলে দিই, তা প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং অত্যন্ত পুষ্টিকর। এই জল পেশীর শক্তি বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। এছাড়াও, এটি হার্ট সংক্রান্ত রোগ থেকে পেট সংক্রান্ত সমস্যা এবং স্থূলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। জানুন এর ব্যবহার কীভাবে করবেন। কী উপকার।
ছানার জলে অ্যালবোমিন ও গ্লোবিউলিন নামে দু’টি প্রোটিন থাকে। এছাড়াও, এতে থাকে কার্বহাইড্রেট ও ল্যাকটোজ। ছানায় রিবোফ্ল্যাভিন নামে একটি ভিটামিন থাকে যা শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং শরীরে শক্তির জোগান দেয়। এছাড়াও, কিডনির সমস্যা, হরমোনাল ইমব্যালান্স, লো প্রেশার, হার্টের সমস্যা থাকলেও ছানার জল খেতে পারেন। পেশী শক্ত করতে ও শরীরে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ছানার জল। এর থেকে তৈরি হোয়ে প্রোটিন প্রোটিনের খুব ভালো সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে।
কীভাবে ব্যবহার করতে পারেন?
•আটা-ময়দা মাখাতে সাধারণ জলের পরিবর্তে এই জল ব্যবহার করতে পারেন। এই জল দিয়ে মাখানো রুটি শুধু নরমই হবে না পুষ্টিকরও হবে। তাই পরের বার দুধ থেকে পনির বানানোর পর অবশিষ্ট জল ফেলে দিতে ভুল করবেন না।
•তরকারি রান্নার সময়, আপনি এর গ্রেভির জন্য সাধারণ জলের পরিবর্তে ছানার জল ব্যবহার করতে পারেন। এতে স্বাদও ভালো হবে এবং এটি আপনার জন্যও উপকারী হবে।
•আপনি স্যুপ তৈরিতে ফাটা দুধের জলও ব্যবহার করতে পারেন।
• আপনি যদি ভাত বা পাস্তা তৈরি করেন তবে এটিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
স্নানের জলে এটি মিশিয়ে নিন। এতে আপনার ত্বক কোমল হবে। এই জলে মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বক এবং মাথার ত্বকের পিএইচ বজায় রাখে।