কোন অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চললে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বদহজমের সমস্যা থেকে, জানুন

হজমের সমস্যা প্রায় প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। সমগ্র বিশ্বে সবচেয়ে পরিচিত সমস্যাও এটি। বেশি ভাজাপোড়া, তেল-মশলাযুক্ত খাবার এই সমস্যা তৈরি করে। তবে নিয়ম মেনে চললেও হতে পারে এই সমস্যা।

শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই কিন্তু সব নয়। খাবার খাওয়ার পরে কিছু অভ্যাসের কারণও কিন্তু হতে পারে বদহজম।

চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চললে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বদহজমের সমস্যা থেকে-

ধূমপান করবার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। তারা খাবার সেরেই নিয়মিত ধূমপান করেন। আর এই অভ্যাসই খুব খারাপ হয়ে উঠে হজমের ক্ষেত্রে। এতে হজম ক্ষমতার বারোটা বাজে। অন্ত্রের ক্ষতি করে। এই অভ্যাসের ফলে পাকস্থলীতে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

দুপুরের খাবার সেরেই অনেকে ফল খান। এর কারণেও কিন্তু বদহজম হতে পারে। লেবুজাতীয় ফল খেলে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বদহজম, বুকে জ্বালা, পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রাতে কিংবা দুপুরে, ভারি খাবার খাওয়ার পর চা পান করা কিন্তু পেটের স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয়। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার ঠিক পরপরই চা পান করলে হজমে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। চায়ের মধ্যে প্রচুর মাত্রায় ট্যানিন থাকে, যা খাবারের প্রোটিনের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এক ধরনের জটিল রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে। এই রাসায়নিক যৌগ হজমে সমস্যার সৃষ্টি করে এবং শরীরে আয়রন শোষণে বাধা দেয়।

দুপুরে হোক কিংবা রাতে, খাওয়া পরেই ঘুমোতে যাওয়ার অভ্যাস থাকলে অবিলম্বে সেটি ত্যাগ করা উচিৎ। খাওয়ার পর খাবার হজম হওয়ার সময় দিতে হবে। ঘুমিয়ে পড়লে হজমের কাজে ব্যাঘাত ঘটে।

অনেকে এমনও আছেন যারা রাতে খাওয়াদাওয়ার পর স্নান করে ঘুমাতে পছন্দ করেন। তাতে নাকি ঘুম ভালো আসে। তবে এই অভ্যাসের কারণে কিন্তু ক্ষতি হয়। এর ফলে পেটব্যথা, বদহজম, গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। এই অভ্যাসের ফলে বিপাকের হার কমে যায়। আর তাতেই তৈরি হয় সমস্যা।বিশেষ করে ফ্যাট বা রিফাইন করা কার্বোহাইড্রেট বা অতিরিক্ত ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার পর স্নান করলে হজম প্রক্রিয়া আরও ধীর হয়ে যায়। তাই পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy