শুধু রান্না নয়, সবজি কাটাও একটা শিল্প। স্বাস্থ্যকর রান্নার জন্য এটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সবজি কাটতে গিয়ে বেশ কিছু ভুল করেন। এতে পুষ্টিগুণ চলে যায় আবর্জনায়। অনেকের আবার সবজি কাটতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যায়, তারপর আর রান্না করার এনার্জি থাকে না। তবে চিন্তা নেই। দ্রুত সবজি কাটার কিছু কৌশল রয়েছে। এখানে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হল।
ফুলকপি: যদিও ফুলকপি কাটতে বেশি সময় লাগে না, তবে দ্রুত কাটতে চাইলে প্রথমে ফুলকপি অর্ধেক করে তারপর মাঝখান থেকে কাণ্ড কেটে বাদ দিতে হবে। এরপর আঙুল দিয়ে ডালগুলো ভেঙে ছোট ছোট টুকরো করে ফেলা যায় অনায়াসে।
পেঁয়াজ: প্রথমে পেঁয়াজের সামনে ও পিছনের দিক কেটে অর্ধেক করে নিতে হবে। এরপর খোসা ছাড়িয়ে চপিং বোর্ডে রেখে মাঝখানের তিন আঙ্গুলের নখ দিয়ে ধরে ছুরির সাহায্যে পাতলা করে কেটে নিতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পেঁয়াজ সূক্ষ্মভাবে কাটা হয়ে যাবে।
বিনস: একসঙ্গে ৮ থেকে ১০টা বিনস নিয়ে চপিং বোর্ডে রেখে ছুরি দিয়ে একসঙ্গে কাটতে হবে। এতে সবজি নষ্ট হবে না, সময়ও কম লাগবে।
কাঁচালঙ্কা: তরকারির স্বাদ বাড়াতে কাঁচা লঙ্কা দেওয়া হয়। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, এটা কাটার সময় আঙুল জ্বলতে শুরু করে। বিশেষ করে হাতে ব্যথা হলে জ্বালাপোড়া বেশি হয়। দ্রুত কাঁচা লঙ্কা কাটার জন্য কাঁচি ব্যবহার করা উচিত। এতে কয়েক মিনিটের মধ্যে সূক্ষ্ম ভাবে লঙ্কা কাটা যাবে।
ধনেপাতা: ধনেপাতা দিলে তরকারির স্বাদ খোলতাই হয়। গার্নিশ করতেও এটা ব্যবহার হয়। কিন্তু কাটতে অনেক সময় লাগে। আসলে ধনেপাতা কাটার আগে অনেকেরই ধুয়ে নেবার অভ্যাস আছে। এতে সময় বেশি লাগে। ভেজা ধনেপাতা হাতে লেগে যায়। তাই কাটার আগে ধনেপাতা ধোয়া চলবে না। একগুচ্ছ ধনে মাঝখান থেকে ভাঁজ করে চপিং বোর্ডে রেখে ভাঁজ করা দিক থেকে কাটতে হবে। এতে সূক্ষভাবে ধনে কাটা হবে, হাতেও লেগে থাকবে না।
রসুন: একটার পর একটা রসুন কেটে বা খোসা ছাড়ানোর চেষ্টা করে সময় নষ্ট করার দরকার নেই। একবারে পাঁচ থেকে ছয়টি রসুনের শুঁটি নিয়ে ছুরি বা ভারি কিছু দিয়ে চাপলেই খোসা নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে।