অফিস আমাদের দিনের অধিকাংশ সময় কাটে, আর সহকর্মীরা হয়ে ওঠেন বন্ধুর মতো। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রফেশনাল লাইফ আর পার্সোনাল লাইফের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা থাকা জরুরি। অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে কিছু গোপন কথা শেয়ার করলে তা ভবিষ্যতে আপনার পদোন্নতি বা কেরিয়ারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
প্রথমত, বেতন ও আর্থিক সুবিধা: নিজের সঠিক বেতন বা বোনাস নিয়ে কলিগদের সাথে আলোচনা করা এড়িয়ে চলুন, এটি ঈর্ষা ও ঝগড়ার কারণ হতে পারে। দ্বিতীয়ত, অফিস পলিটিক্স ও বস সম্পর্কে মন্তব্য: বসের সমালোচনা বা সহকর্মীর বদনাম করা থেকে বিরত থাকুন; দেওয়ালে কান থাকে, যা আপনার ইমেজ নষ্ট করতে পারে। তৃতীয়ত, ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমস্যা: আপনার পারিবারিক অশান্তি বা রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস নিয়ে বেশি আলোচনা করবেন না। চতুর্থত, ভবিষ্যৎ চাকরির পরিকল্পনা: অন্য কোথাও ইন্টারভিউ দিচ্ছেন কি না বা চাকরি ছাড়ার পরিকল্পনা কলিগদের জানাবেন না। পঞ্চমত, অতীতের কোনো বিতর্কিত ঘটনা: আপনার পুরনো কোনো ভুল বা বিতর্কিত অতীত শেয়ার করলে লোকে আপনার বর্তমান যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
পেশাদারিত্ব বজায় রাখলে কর্মক্ষেত্রে সম্মান ও নিরাপত্তা দুই-ই বৃদ্ধি পায়। তাই আড্ডা দিন, কিন্তু সীমা বজায় রাখুন।