ভিটামিন “K” সাধারণত শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং এটি একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। এটি প্রধানত রক্ত জমাট বাঁধতে (Blood Clotting) সাহায্য করে এবং হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
কখন এটি ক্ষতিকর হতে পারে?
যাঁরা রক্ত পাতলা করার ওষুধ (যেমন: ওয়ারফারিন) সেবন করেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন “K” বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ এই ভিটামিন ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দিয়ে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়, যা থেকে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট সেবন করলে লিভারের সমস্যায় আক্রান্তদের জটিলতা বাড়তে পারে।
সতর্কতা:
প্রাকৃতিক উৎস যেমন—পালং শাক, ব্রোকলি বা বাঁধাকপি থেকে পাওয়া ভিটামিন “K” সাধারণত নিরাপদ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া উচ্চমাত্রার ভিটামিন “K” ক্যাপসুল বা সাপ্লিমেন্ট নেওয়া একদম উচিত নয়। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।





