পেটে ব্যথা বা খিঁচুনিকে আমরা অনেকেই সাধারণ বদহজম বা গ্যাসের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী পেটে অস্বস্তি কোলোরেক্টাল (মলাশয় বা অন্ত্রের) ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান উপসর্গ হতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত না করলে এই ক্যান্সার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণসমূহ:
পেটে অনবরত খিঁচুনি: পেটে সবসময় গ্যাস বা খিঁচুনি অনুভূত হওয়া এবং ব্যথার সঠিক স্থান নির্ধারণ করতে না পারা।
মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন: দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা হঠাৎ করে ডায়রিয়ার প্রবণতা দেখা দেওয়া।
মলের সাথে রক্তপাত: উজ্জ্বল লাল বা কালচে রঙের রক্ত মলের সাথে বেরিয়ে আসা।
অসম্পূর্ণ মলত্যাগের অনুভূতি: পেট পরিষ্কার না হওয়ার অস্বস্তিকর অনুভূতি হওয়া।
অকারণে ওজন হ্রাস: কোনো ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই দ্রুত শরীরের ওজন কমে যাওয়া।
শারীরিক দুর্বলতা: দীর্ঘস্থায়ী রক্তশূন্যতার কারণে সবসময় ক্লান্ত বোধ করা।
কখন সতর্ক হবেন?
যদি আপনার বয়স ৪৫-এর বেশি হয় এবং এই লক্ষণগুলো দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তবে দেরি না করে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নিন। কোলনোস্কোপি বা বায়োপসির মাধ্যমে দ্রুত রোগ নির্ণয় করা গেলে এই ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব। সুস্থ থাকতে সচেতনতাই আপনার প্রধান হাতিয়ার।