আপনি কি জানেন কেন বিকেলের পর ফল খেতে নেই? না জানলে জেনেনিন এর কারণ

ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ভালো উৎস বিভিন্ন ফলমূল। প্রতিদিন দুটি টাটকা ফল খেলে শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে। এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভালোভাবে সচল রাখতে এবং জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

তবে সর্বোচ্চ উপকারিতা পাওয়ার জন্য ফল থেকে হবে সঠিক সময়ে। একটা নির্দিষ্ট সময়ে ফল খেলে এর সর্বোচ্চ পুষ্টি ‍উপাদান শরীর শোষণ করে নিতে পারে।

আয়ুর্বেদে বিশ্বাসীরা সূর্যাস্তের আগে অর্থাৎ বিকেল চারটার আগে টাটকা ফল খাওয়ার কথা বলেন। এতে করে পুষ্টি উপাদান বেশি পাওয়া যায়।

ফল খাবেন সূর্যাস্তের আগে: বিখ্যাত পুষ্টিবিদ লুকে কুতিনহোর মতে, বিকেলের পর ফল খেলে ঘুমের সময়সূচিতে এবং হজম প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

অধিকাংশ ফলে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে; যেগুলো ভাঙতে পারে। এটি শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, একই সময়ে রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

বিকেলের পর বিপাকক্রিয়া কমে যায় এবং কার্বোহাইড্রেট হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ফল খাওয়ার সঠিক সময়: লুকে কুতিনহোর মতে, সকালে খালি পেটে ফল খাওয়া উপযুক্ত সময়। রাত থেকে সকাল পর‌্যন্ত ১০ ঘণ্টা কোনোকিছু না খাওয়ার ফলে সকালে পেট একেবারে খালি হয়ে যায়। তাই সকালে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণ করে নিতে পারে এবং বিপাকও ভালো হয়। তবে সকাল বা দুপুরের খাবার গ্রহণের ৩.৫০ থেকে ৪ ঘণ্টা পর ফল খাওয়া ‍উচিত। সকালে হাঁটাহাঁটির পরে এবং আগে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করা সবচেয়ে ভালো।

ফলের সঙ্গে অন্য খাবার নয়: ফল খাওয়ার সময় অন্য কোনো খাবার বা সবজি খাওয়া ঠিক নয়। দুগ্ধজাত খাবার অথবা সবজির সঙ্গে ফল খেলে শরীরে টক্সিন উৎপন্ন হতে পারে। ফল সঠিকভাবে হজম নাও হতে পারে এবং পুষ্টি উপাদান কম শোষিত হতে পারে।

শরীরে টক্সিনের উপস্থিতি অসুস্থতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।bs

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy