আপনার নাক থেকে কি রক্তপাত হচ্ছে? তাহলে যা যা করণীয় জেনেনিন

নাকের রক্তপাতকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়, এপিস ট্যাক্সিস। এটা অনেক সময় খুব বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ ঘরোয়াভাবেই দূর করতে পারবেন বিরক্তিকর এমন রক্তপাত।

দুই ধরণের নাকের রক্তপাত হয়। তাদের একটি হলো অ্যান্টেরিয়র ব্লিডিং এবং পোস্টেরিয়র ব্লিডিং। অ্যান্টেরিয়র ব্লিডিং হয় যখন রক্ত চলাচলের জন্য নাকের শিরা কোনোভাবে আক্রান্ত হয় এবং রক্ত চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে পোস্টেরিয়র ব্লিডিং হয় যখন নাক ও গলার খুব কাছের শিরাগুলোতে রক্ত চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়।

নাকের রক্তপাতের কারণ: শুষ্ক আবহাওয়ায় বাস করলে, শুষ্ক-গরম আবহাওয়ায় কাজ করলে, যেখানে ইনফেকশান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তীব্র ঝাঁকুনিতে নাক পরিষ্কার করলে, নাকে কোনো কারণে ব্যথা পেলে, অ্যাালার্জির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলে, অতিরিক্ত নাকের স্প্রে ব্যবহার করলে, রাসায়নিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য এবং অতীব পাতলা রক্তের জন্য নাকের রক্তপাত হতে পারে।

তাই আসুন জেনে নিই ঘরোয়াভাবে কিভাবে মুক্তি পেতে পারেন নাকের রক্তপাত নামক যন্ত্রণা থেকে।

১. ভিটামিন কে: বাঁধাকপি, ফুলকপি ও করলাতে প্রচুর পরিমাণে কোলেজেন থাকে। আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে। এগুলো শরীরের রক্তকে সহজভাবে চলতে সাহায্য করে।

২. ভিটামিন সি: টক জাতীয় সব খাবারেই ভিটামিন সি রয়েছে। প্রতিদিন ভিটামিন সি গ্রহণের ফলে রক্তের শিরাগুলো খুব শক্তিশালী হয়। এতে রক্ত সঞ্জালন বেড়ে যায়।

৩. ভিনেগার: রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য ভিনেগার খুব জরুরি।

৪. স্যালাইনের জল: নাকের রক্তপাতের অন্যতম প্রধান কারণ শুষ্কতা। শুষ্কতা দূরীকরণে স্যালাইনের জল খুব উপকারী। প্রথমে একটি পাত্রে অল্প জল নিন। এরপর জলের সঙ্গে স্যালাই মিশিয়ে, তা ড্রপ আকারে নাকে দিতে হবে।

৫. গোল মরিচ: গোল মরিচ শরীরে রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। নাকের রক্তপড়া শুরু হওয়া মাত্র। একটু গোল মরিচ নিয়ে গরম জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গেই রক্তপড়া কমে যায়।

৬. লেটুস পাতা: লেটুস পাতাকে বলা হয় হারবাল ওষুধ। লেটুস পাতা সেবনে নাকের রক্তপাত কমে। অন্যদিকে লেটুস পাতার চা রক্তপাত বন্ধে খুব উপকারী।

৭. প্রচুর জল খান। অতিরিক্ত জল পান করলে শরীরে শুষ্কতা কমে এবং রক্তপাত বন্ধ হয়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy