কিডনিকে বলা হয় শরীরের ‘ফিল্টার’। রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করে শরীরকে সুস্থ রাখাই এর কাজ। কিন্তু কিডনির অসুখের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো, এর কার্যক্ষমতা ৮০-৯০ শতাংশ নষ্ট হওয়ার আগে সেভাবে কোনো বড় উপসর্গ ধরা পড়ে না। তাই একে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়।
শরীরের যে সংকেতগুলো এড়িয়ে যাওয়া বিপজ্জনক:
প্রস্রাবের পরিবর্তন: প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া, প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা বা দুর্গন্ধ হওয়া এবং রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ।
শরীরে ফোলাভাব: পায়ের গোড়ালি, মুখ বা চোখের তলা হঠাৎ অস্বাভাবিক ফুলে যাওয়া।
অতিরিক্ত ক্লান্তি: রক্তে বিষাক্ত উপাদান বেড়ে যাওয়ায় সারাক্ষণ দুর্বলতা এবং মনোনিবেশে সমস্যা হওয়া।
ত্বকের চুলকানি: রক্তে খনিজ পদার্থের ভারসাম্য নষ্ট হলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায় এবং চুলকানি হতে পারে।
পিঠের ব্যথা: পাজরের ঠিক নিচে পেছনের দিকে একটানা ব্যথা হওয়া।
সুরক্ষায় করণীয়:
প্রতিদিন অন্তত ৩ লিটার জল পান করুন, অতিরিক্ত নুন খাওয়া বর্জন করুন এবং ব্যথানাশক ওষুধ (Painkillers) মুড়িমুড়কির মতো খাওয়া বন্ধ করুন। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস থাকলে নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা (KFT) করানোই হলো সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।





