শরীরের যেকোনো অংশে ব্যথা হওয়া মানেই তা ক্যান্সার নয়, তবে দীর্ঘদিনের কোনো ব্যথাকে অবহেলা করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। চিকিৎসকদের মতে, ক্যান্সার যখন শরীরে বাসা বাঁধে, তখন অনেক সময় তা ব্যথার মাধ্যমে জানান দেয়। বিশেষ করে যদি সেই ব্যথা কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই শুরু হয় এবং ওষুধ খাওয়ার পরও না কমে, তবে তা চিন্তার বিষয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাড়ের ক্যান্সার বা টেস্টিকুলার ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ব্যথা দেখা দেয়। পিঠের নিচের দিকে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা অনেক সময় ওভারিয়ান বা কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। আবার ব্রেন টিউমারের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা একটি বড় উপসর্গ, যা ভোরে মারাত্মক আকার ধারণ করে। অগ্ন্যাশয় বা পাকস্থলীর ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও পেটে তীব্র ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
যদি আপনার শরীরে কোনো ব্যথা একনাগাড়ে ৩-৪ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ব্যথার সাথে ওজন কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা পিণ্ড সদৃশ কিছু অনুভব করলে দেরি করা চলবে না। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় হলে ক্যান্সার জয় করা অনেক সহজ হয়।