সাইলেন্ট কিলার ব্লাডার ক্যান্সার! জীবন বাঁচাতে আজই জেনে নিন এই রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

মূত্রাশয় ক্যান্সার বা ব্লাডার ক্যান্সার হলো এমন এক ধরণের মারণ রোগ যা মূত্রথলির ভেতরের কোষ থেকে শুরু হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। সঠিক সময়ে শনাক্ত করা গেলে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব।

মূত্রাশয় ক্যান্সারের ধরন:

ইউরোথেলিয়াল কার্সিনোমা: এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরন, যা মূত্রথলির ভেতরের স্তরের কোষ থেকে শুরু হয়।

স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা: দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ বা জ্বালাপোড়ার ফলে এই ধরণের ক্যান্সার দেখা দেয়।

অ্যাডেনোকার্সিনোমা: এটি বিরল প্রকৃতির এবং মূত্রথলির গ্রন্থি কোষে তৈরি হয়।

লক্ষণসমূহ:

প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া (এটি ব্যথাহীন হতে পারে)।

ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ অনুভব করা।

প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালা বা ব্যথা।

পিঠের নিচের দিকে বা তলপেটে ব্যথা।

সমাধানের রাস্তা:
১. ধূমপান ত্যাগ: এটি ব্লাডার ক্যান্সারের প্রধান কারণ। তামাকের রাসায়নিক প্রস্রাবের মাধ্যমে মূত্রথলিতে জমা হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
২. প্রচুর জল পান: পর্যাপ্ত জল পান করলে টক্সিন বেরিয়ে যায়।
৩. দ্রুত পরীক্ষা: সন্দেহ হলে সিস্টোস্কোপি বা বায়োপসির মাধ্যমে দ্রুত রোগ নির্ণয় করুন।
৪. চিকিৎসা: প্রাথমিক পর্যায়ে অস্ত্রোপচার, ইমিউনোথেরাপি বা কেমোথেরাপির মাধ্যমে রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy