ক্যারিয়ারের ইঁদুর দৌড়ে আমরা এতটাই ব্যস্ত যে, শরীরের পাশাপাশি মনের ওপর কতটা চাপ পড়ছে তা খেয়াল করার সময়টুকুও নেই। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, যারা প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করেন, তারা মারাত্মক মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারে প্রভাব ফেলে, যা থেকে সৃষ্টি হয় দীর্ঘস্থায়ী অবসাদ।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যধিক কাজের চাপে ‘বার্নআউট’ সিনড্রোম দেখা দেয়। এর ফলে খিটখিটে মেজাজ, অনিদ্রা এবং সিদ্ধান্তহীনতার মতো সমস্যা তৈরি হয়। দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করা বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা মানসিক ক্লান্তিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এটি শুধু কাজের দক্ষতাই কমায় না, বরং মানুষকে চরম হতাশা বা ডিপ্রেশনের দিকে ঠেলে দেয়। তাই সুস্থ থাকতে কাজের মাঝে বিরতি নিন, পর্যাপ্ত ঘুমান এবং পেশাদার জীবনের বাইরেও নিজের জন্য সময় বরাদ্দ করুন। মনে রাখবেন, কাজের চেয়ে আপনার মানসিক সুস্থতা অনেক বেশি দামি।