পেটে খিঁচুনি বা ব্যথা খুব সাধারণ সমস্যা মনে হলেও, কখনো কখনো এটি কোলোরেক্টাল বা কোলন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় আমরা গ্যাস বা বদহজম ভেবে এই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে যাই, যা পরে বিপদ ডেকে আনে। কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শরীরের দেওয়া সংকেতগুলো চেনা অত্যন্ত জরুরি।
পেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা খিঁচুনির পাশাপাশি কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে:
মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন: কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া যা কয়েক দিনের বেশি স্থায়ী হচ্ছে।
মলের সাথে রক্ত: মলে উজ্জ্বল লাল বা কালো রঙের রক্ত দেখা দেওয়া।
পেট ভরা অনুভূত হওয়া: সর্বদা পেট ফুলে থাকা বা অস্বস্তি হওয়া।
অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস: কোনো চেষ্টা ছাড়াই হঠাৎ দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।
দুর্বলতা ও রক্তাল্পতা: কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ করা।
মলত্যাগের পর অসম্পূর্ণ অনুভূতি: মনে হওয়া যে পেট পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি।
কোলোরেক্টাল ক্যান্সার সাধারণত কোলন বা রেকটামে ছোট ছোট টিউমার বা পলিপ থেকে শুরু হয়। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এর নিরাময়ের হার অনেক বেশি। তাই যদি আপনার পেটে ব্যথা বা খিঁচুনি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে, তবে দেরি না করে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টের পরামর্শ নিন এবং কোলোনোস্কোপি পরীক্ষা করান। সচেতনতাই পারে মরণব্যাধি থেকে আপনাকে রক্ষা করতে।