অ্যান্টিবায়োটিক আধুনিক চিকিৎসার এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হলেও, এর যথেচ্ছ এবং ভুল ব্যবহার আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অনেক সময় সাধারণ সর্দি-কাশিতেও অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলেন, যা হিতে বিপরীত হওয়ার প্রধান কারণ।
অ্যান্টিবায়োটিকের সাধারণ ও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
হজমে সমস্যা: অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি অন্ত্রের উপকারি ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে দেয়। ফলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা বদহজম দেখা দেয়।
ছত্রাক সংক্রমণ (Fungal Infection): দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা থেকে মুখ বা গোপনাঙ্গে ছত্রাক ঘটিত সংক্রমণ হতে পারে।
অ্যালার্জি ও র্যাশ: অনেকের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পর চামড়ায় ফুসকুড়ি, চুলকানি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, যা গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ।
কিডনি ও লিভারের ওপর চাপ: উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দীর্ঘকাল সেবন করলে লিভারের এনজাইম বৃদ্ধি পায় এবং কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: এটি সবচেয়ে বড় ভয়। বারবার অপ্রয়োজনে এটি খেলে পরবর্তী সময়ে শরীরের রোগজীবাণু আর এই ওষুধে মরতে চায় না, যা জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে।
অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পূর্ণ করুন। মাঝপথে ছেড়ে দেওয়া বা কম খাওয়া আরও বিপদের কারণ হতে পারে।