কখনও ভেবেছেন কোমরের নিচের অংশে এই টোল কেন? জানুন ‘বাট ডিম্পল’ রহস্য!

কখনও কি খেয়াল করেছেন কিছু মানুষের কোমরের ঠিক নিচের অংশে, নিতম্বের সামান্য উপরে ছোট দুটি টোল দেখা যায়? এই বিশেষ চিহ্নটি ‘বাট ডিম্পল’ নামেই পরিচিত। তবে এর আরও একটি সুন্দর নাম রয়েছে – ‘ভেনাস হোল’ (মহিলাদের ক্ষেত্রে) এবং ‘অ্যাপেলো হোল’ (পুরুষদের ক্ষেত্রে)। যাদের শরীরে এই টোল দেখা যায়, তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে প্রচলিত রয়েছে এক বিশেষ বিশ্বাস।
অনেকেরই ধারণা, যাদের পশ্চাৎদেশে এই টোল সদৃশ্য চিহ্নটি বিদ্যমান, তাদের দাম্পত্য জীবনে বিশেষ ঘনিষ্ঠতা এবং আনন্দ লাভ করতে বেশি সময় লাগে না। বিশেষত পুরুষদের ক্ষেত্রে খালি গায়ে এই চিহ্ন স্পষ্ট দেখা যায়। পিঠের শেষ প্রান্তে এবং নিতম্বের শুরুর দিকে ত্বক সামান্য ভেতরের দিকে দেবে যাওয়াতেই এই টোলের সৃষ্টি হয়, অনেকটা যেন গালে টোল পড়ার মতো।
প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, ভেনাস হলেন প্রেমের দেবী। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, প্রেমরসে পরিপূর্ণ অবস্থায় এই ‘ভেনাস হোল’ দুটি রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। মনে করা হয়, যাদের পশ্চাৎদেশে এই বিশেষ টোল থাকে, তারা সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে অনেক বেশি তৃপ্তি অনুভব করেন।
তবে এই ‘ভেনাস হোল’ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। দুঃখের বিষয় হল, শত চেষ্টা করেও বা কোনও কৃত্রিম উপায়ে এই টোল তৈরি করা সম্ভব নয়। এটি সম্পূর্ণরূপে বংশগত একটি বৈশিষ্ট্য। যদি পূর্বপুরুষদের শরীরে এই চিহ্ন থেকে থাকে, তবে তাদের জিনগত প্রভাবের কারণে উত্তরসূরীদের শরীরেও এই ‘বাট ডিম্পল’ দেখা যেতে পারে।
সুতরাং, আপনার শরীরে যদি এই বিশেষ টোল থাকে, তবে তা জিনগত উপহার। যদিও এর সঙ্গে দাম্পত্য সুখের কতটা সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যটি নিঃসন্দেহে অনেকের কাছেই বিশেষ আকর্ষণীয়।