রান্নাঘরের মশলা হিসেবে হিং-এর কদর চিরকালই। কিন্তু ডায়েটেশিয়ান এবং সাম্প্রতিক সমীক্ষায় হিং-মিশ্রিত গরম জলের যে উপকারিতার কথা উঠে এসেছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। প্রাচীন আয়ুর্বেদ থেকে আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান—সব পক্ষই জানাচ্ছে, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস ইষদুষ্ণ জলে এক চিমটে হিং মিশিয়ে খেলে তা শরীরের জন্য ‘ডিটক্স ড্রিঙ্ক’ হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে যারা গ্যাসের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন, তাদের জন্য এটি আশীর্বাদের সমান।
সমীক্ষা অনুযায়ী, হিং-এ থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান মেটাবলিজম দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে, যা পরোক্ষভাবে ওজন কমায়। এখানেই শেষ নয়, মেয়েদের মাসিকের সময় অসহ্য যন্ত্রণা কমাতেও হিং-জল দারুণ কার্যকর। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতেও সাহায্য করে। তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত হিং খাওয়া উচিত নয়; মাত্র এক চিমটেই আপনার সারাদিনের এনার্জি এবং হজমক্ষমতা ঠিক রাখতে যথেষ্ট।