অতিরিক্ত রোগা হয়ে লজ্জায় পড়েন? মাত্র ৭ দিনে ওজন বাড়ানোর এই জাদুকরি ট্রিক জানলে চমকে যাবেন!

আজকের এই ফিটনেস সচেতন ও স্লিম ফিগারের যুগে অনেকেই অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলেও, উল্টো দিকে এমন বহু মানুষ রয়েছেন যারা নিজেদের অতিরিক্ত রোগা ও হাড়জিরজিরে গড়ন নিয়ে চরম মানসিক হীনম্মন্যতায় ভোগেন। লাখ চেষ্টা করেও শরীরে এক ফোঁটা মেদ বা মাংস না লাগার কারণে সমাজে নানা কটাক্ষের শিকার হতে হয়। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত কম ওজন বা আন্ডারওয়েট হওয়া কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সঠিক পুষ্টি, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনধারায় সামান্য কিছু বৈজ্ঞানিক পরিবর্তন এনে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ওজন বাড়ানোর প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো ক্যালোরি সারপ্লাস বা শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করা। প্রতিদিনের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য যে পরিমাণ শক্তি খরচ হয়, তার চেয়ে বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর ক্যালোরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে শরীর ধীরে ধীরে ভারী হতে শুরু করে। তবে এর মানে এই নয় যে ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড খেয়ে ওজন বাড়াতে হবে। অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার সাময়িকভাবে ওজন বাড়ালেও তা হৃদরোগ ও কোলেস্টেরলের মতো মারাত্মক ঝুঁকি ডেকে আনে। এর পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়াতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখা অত্যন্ত জরুরি।
খাদ্যতালিকায় ডিম, মাংস, মাছ, পনির, দুধ এবং ডাল জাতীয় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রচুর পরিমাণে রাখতে হবে, যা পেশি গঠনে সরাসরি সাহায্য করে। পাশাপাশি ওটস, বাদাম, কলা, ঘি এবং মিষ্টি আলু বা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার শক্তির জোগান দেয় এবং স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দিনে তিনবার ভারী খাবার খাওয়ার পাশাপাশি মাঝের সময়গুলোতে স্ন্যাক্স হিসেবে ড্রাই ফ্রুটস বা পিনাট বাটার টোস্ট খাওয়া অত্যন্ত কার্যকরী। পর্যাপ্ত জল পানের পাশাপাশি সঠিক হজমশক্তি নিশ্চিত করাও ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি বড় চাবিকাঠি।