সাবধান! সব চিজ কি সমান উপকারী? কেনার আগে ৩টি বিষয় মাথায় রাখুন

১. লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Low GI): চিজের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম। এর মানে হলো, চিজ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা (Blood Sugar) হঠাৎ করে বেড়ে যায় না। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি নিরাপদ স্ন্যাকস হতে পারে।

২. কার্বোহাইড্রেটের অভাব: অধিকাংশ চিজে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ খুব কম থাকে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্বোহাইড্রেট মেপে খাওয়া জরুরি, সেই দিক থেকে চিজ বেশ কার্যকর।

৩. খিদে নিয়ন্ত্রণ: চিজে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে। এর ফলে বারবার চিনিযুক্ত বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা পরোক্ষভাবে ওজন ও সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সতর্কতা:

ক্যালোরি ও ফ্যাট: চিজ ক্যালোরি-সমৃদ্ধ। তাই অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

লবণের পরিমাণ: প্রক্রিয়াজাত (Processed) চিজে প্রচুর লবণ থাকে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কটেজ চিজ (পনির), মোজারেলা বা রিকোটা চিজ বেছে নেওয়া ভালো।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy