রান্নাঘরের ঝুড়িতে জমে থাকা যে পেঁয়াজের খোসাগুলোকে আমরা আবর্জনা ভেবে ফেলে দিই, তা আসলে সুস্বাস্থ্যের এক মহামূল্যবান ভাণ্ডার। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজের ভেতরের অংশের চেয়েও এর খোসায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি। দীর্ঘায়ু পেতে এবং মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচতে পেঁয়াজের খোসা হতে পারে আপনার পরম বন্ধু।
কেন ফেলবেন না পেঁয়াজের খোসা?
ক্যানসার প্রতিরোধে: পেঁয়াজের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ‘কোয়ারসেটিন’ (Quercetin), যা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রুখতে এবং টিউমার দমনে অত্যন্ত কার্যকর।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: এই খোসা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ধমনীতে প্লাক জমতে বাধা দেয়। ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।
ত্বক ও চুলের জেল্লা: পেঁয়াজের খোসা সেদ্ধ জল দিয়ে চুল ধুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে এবং খুশকি দূর হয়। এর অ্যান্টি-এজিং গুণ ত্বককে রাখে টানটান ও উজ্জ্বল।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে। সর্দি-কাশি বা গলার ইনফেকশনে পেঁয়াজের খোসা দিয়ে তৈরি চা খেলে দ্রুত আরাম মেলে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন? রান্নার সময় ঝোলে খোসা দিয়ে পরে তুলে নিতে পারেন, অথবা খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে স্মুদি বা চায়ে মিশিয়ে খেতে পারেন। সুস্থ থাকতে আজ থেকেই এই ‘ফেলে দেওয়া’ অমূল্য সম্পদকে যত্ন করে রাখুন।