তরমুজের লাল অংশটি আমরা তৃপ্তি করে খেলেও সাদা অংশ বা খোসাটি অবহেলায় ফেলে দিই। পুষ্টিবিদদের মতে, তরমুজের খোসায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং ‘সিট্রুলাইন’ (Citrulline) নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তরমুজের খোসার বিশেষ গুণাগুণ:
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: সিট্রুলাইন রক্তনালীকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
শরীরচর্চায় সাহায্য: যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর। এটি পেশীর ক্লান্তি দূর করে এবং এনার্জি বাড়ায়।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: তরমুজের খোসা ত্বকে ঘষলে রোদে পোড়া ভাব (Sunburn) দূর হয় এবং ত্বক সতেজ থাকে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বার্ধক্য রোধ করে।
হজমশক্তি বৃদ্ধি: প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে, যা ওজন কমানোর জন্য সহায়ক।
ব্যবহারের উপায়: খোসা কুচিয়ে তরকারি, চাটনি বা সালাদে মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া ব্লেন্ড করে শরবত হিসেবেও খাওয়া যায়।





