পিত্তথলিতে পাথর হওয়া মানেই যে সবসময় অস্ত্রোপচার, তা নয়; তবে উপসর্গগুলো এড়িয়ে যাওয়া মারাত্মক হতে পারে। পিত্তরস যখন পিত্তথলিতে জমে শক্ত হয়ে যায়, তখনই পাথরের সৃষ্টি হয়। জেনে নিন কোন লক্ষণগুলো দেখলে সাবধান হবেন:
প্রধান উপসর্গসমূহ:
পেটের ওপরের দিকে ডান পাশে ব্যথা: এটি গলব্লাডারের পাথরের সবথেকে সাধারণ লক্ষণ। সাধারণত ভারী বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পেটের ডান দিকের উপরিভাগে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়। এই ব্যথা কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
পিঠে বা কাঁধে ব্যথা: অনেক সময় পেটের ব্যথা ছড়িয়ে গিয়ে ডান দিকের কাঁধ বা দুই কাঁধের মাঝখানে পিঠের দিকে অনুভূত হয়।
বমি ভাব ও বদহজম: বারবার বমি হওয়া বা বমি বমি ভাব থাকা পাথরের সংকেত হতে পারে। এছাড়া সাধারণ খাবারেও পেট ভার হয়ে থাকা বা গ্যাসের সমস্যা হওয়া এর লক্ষণ।
জন্ডিস: যদি পাথর পিত্তনালীতে আটকে যায়, তবে ত্বক এবং চোখ হলুদ হয়ে যেতে পারে, যাকে আমরা জন্ডিস বলি। এর সাথে প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হতে পারে।
কাঁপুনি দিয়ে জ্বর: পাথরের কারণে পিত্তথলিতে সংক্রমণ হলে রোগীর তীব্র জ্বর আসতে পারে।
পাথর হওয়ার কারণ:
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, ডায়েটে ফাইবারের অভাব এবং দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকার অভ্যাস পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া বংশগত কারণেও এটি হতে পারে।