বর্তমানে বিশ্বজুড়ে পুরুষদের মধ্যে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বা ইনফার্টিলিটি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, যখন একজন পুরুষ কোনো প্রকার জন্মনিরোধক ব্যবহার না করার এক বছর পরেও সন্তান জন্মদানে অক্ষম হন, তাকেই পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। এর পেছনে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি আধুনিক জীবনযাত্রাও বড় কারণ।
প্রধান কারণগুলি হলো:
শুক্রাণুর মান ও সংখ্যা: বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যাওয়া (Low Sperm Count) বা তাদের গতিশীলতা কম থাকা অন্যতম কারণ।
লাইফস্টাইল: অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান এবং ড্রাগসের আসক্তি শুক্রাণুর উৎপাদন ব্যাহত করে।
মোবাইল ও ল্যাপটপের ব্যবহার: পকেটে মোবাইল রাখা বা কোলে ল্যাপটপ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে তার উত্তাপ ও রেডিয়েশন অণ্ডকোষের ক্ষতি করে।
মানসিক চাপ ও স্থূলতা: অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং শরীরের বাড়তি ওজন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা: ভেরিকোসিল (শুক্রাশয়ের শিরার ফোলা ভাব), সংক্রমণ বা বংশগত কারণও দায়ী হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক সময়ে ধরা পড়লে এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে (যেমন—পুষ্টিকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়াম) এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রয়োজনে আইভিএফ (IVF) বা আইসিএসআই (ICSI)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে।