রোশনের ঘরে নতুন তারকা! অভিনয় ছেড়ে হৃতিক-পুত্র বেছে নিলেন এই চমকপ্রদ পেশা, প্রথম গানেই ঝড় তুললেন নেটপাড়ায়

বিনোদনের ঝলমলে দুনিয়ায় পা রাখলেন রোশন পরিবারের আরও এক উত্তরসূরি। তবে রুপোলি পর্দার চেনা নায়ক হিসেবে নয়, সম্পূর্ণ নতুন এক পথে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করলেন অভিনেতা হৃতিক রোশন এবং সুজান খানের জ্যেষ্ঠ পুত্র রেহান রোশন। সদ্য প্রকাশ্যে আসা তাঁর প্রথম একক গান ‘দিস হেভেনলি প্লেস’-এর হাত ধরে সংগীত জগতে আত্মপ্রকাশ করলেন এই তরুণ প্রতিভা। একাধারে গায়ক, গীতকার এবং গিটারিস্ট হিসেবে নিজের প্রথম পদক্ষেপেই তিনি শ্রোতাদের মনে গভীর রেখাপাত করেছেন। প্রখ্যাত সুদান-এর প্রযোজনায় এবং অঙ্কুর তিওয়ারির এ অ্যান্ড আর পরিচালনায় নির্মিত এই গানটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
রেহানের এই ডেবিউ মিউজিক ভিডিওটির সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর জাঁকজমকহীন এবং সরল উপস্থাপনা। কোনো অতিরিক্ত সেট বা চাকচিক্যের বদলে একটি সম্পূর্ণ ব্ল্যাক- অ্যান্ড-হোয়াইট অ্যাকোস্টিক সেটআপ বেছে নেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কেবল রেহানের খোলা গলা এবং তার নিপুণ আঙুলে বাজানো গিটারের জাদুকরী সুর। ভিডিওটির এই আভিজাত্য ও সরলতা গানের মূল আবেদনকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটনাগরিকরা।
ছেলের এমন অভাবনীয় সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত বাবা হৃতিক রোশন। সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন একটি পোস্ট শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, রে, তুমি জন্ম থেকেই এক সহজাত প্রজ্ঞা নিয়ে এসেছ। সেটা আমি অন্ধের মতো বিশ্বাস করি, আর এই বিষয়টি আমাকে সর্বদা ভয়ডরহীন করে তোলে। হৃতিকের এই পোস্টে উপচে পড়েছে ভক্তদের ভালোবাসা।
পিছিয়ে নেই পরিবারের অন্য সদস্যরাও। রেহানের মা সুজান খান পুত্রকে নিয়ে গর্ব প্রকাশ করে লিখেছেন, এককথায় অভিভূত, সীমাহীন ভালোবাসা রইল। অন্যদিকে, হৃতিকের বান্ধবী তথা গায়িকা-অভিনেত্রী সাবা আজাদ, দাদু তথা প্রবীণ পরিচালক রাকেশ রোশন এবং কনিষ্ঠা পশমিনা রোশনও কমেন্ট বক্সে এই তরুণ তারকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, রোশন পরিবারের রক্তে রয়েছে সুরের এক গৌরবময় ইতিহাস। রেহানের প্রপিতামহ এবং কাকা রাজেশ রোশন ভারতীয় চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য স্মরণীয় মেলোডি। এবার সেই দীর্ঘ পারিবারিক এবং বংশানুক্রমিক সংগীতের ধারাকেই নিজের মতো করে নতুন প্রজন্মের উপযোগী করে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন রেহান। সব মিলিয়ে, প্রথম গানেই বাজিমাত করে রোশন পরিবারের এই তরুণ তুর্কি প্রমাণ করে দিয়েছেন যে তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া।