‘বাহুবলী’ এবং ‘আরআরআর’-এর মতো বিশ্ব কাঁপানো ব্লকবাস্টারের পর পরিচালক এস এস রাজামৌলি এবার নিয়ে আসছেন তাঁর স্বপ্নের প্রজেক্ট ‘বারাণসী’। ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল ছবিটি মুক্তি পেতে পারে—এমনই এক জল্পনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই আগুনে ঘি ঢাললেন খোদ ছবির নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রিয়াঙ্কার একটি ছোট পোস্ট—‘বারাণসী, হেয়ার উই গো’—মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। নেটিজেনদের ধারণা, ছবির পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের শ্যুটিং এবার শুরু হতে চলেছে। যদিও শ্যুটিংয়ের সঠিক লোকেশন নিয়ে প্রিয়াঙ্কা বা রাজামৌলি এখনও কোনো খোলসা করেননি।
এই মেগা বাজেটের ছবিতে মহেশ বাবুকে দেখা যাবে ‘রুদ্র’ নামক এক বিধ্বংসী চরিত্রে। সঙ্গে রয়েছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারন ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মতো তারকারা। ছবিটি প্রযোজনা করছে শ্রী দুর্গা আর্টস ও শোয়িং বিজনেস। হায়দ্রাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে ১৩০x১০০ ফুটের দানবীয় স্ক্রিনে ছবির যে টিজার প্রকাশ করা হয়েছিল, তা এখনও দর্শকদের চোখে লেগে আছে। টিজারটির শুরুতেই ৫১২ খ্রিস্টাব্দের প্রাচীন বারাণসীকে তুলে ধরা হয়েছে, যা দর্শককে মুহূর্তেই টাইম ট্রাভেলের অনুভূতি দেয়।
গল্পের প্রেক্ষাপট আরও বিস্ময়কর। ২০২৭ সালে ‘শাম্ভবী’ নামক একটি গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে—এমন এক মহাজাগতিক সংকটের সঙ্গে ৫১২ খ্রিস্টাব্দের বারাণসী এবং ৭২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের লঙ্কানগরীর যোগসূত্র দেখিয়েছেন রাজামৌলি। অ্যান্টার্কটিকার বরফ চাদর থেকে আফ্রিকার জঙ্গল—ছবির ক্যানভাস যে বিশাল হতে চলেছে, টিজারেই তার প্রমাণ মিলেছে। তবে টিজারের সবথেকে বড় চমক ছিল মহেশ বাবুর এন্ট্রি। হাতে ত্রিশূল নিয়ে ষাঁড়ের পিঠে চড়ে যখন তিনি পর্দায় আবির্ভূত হন, তখন প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত ৬০ হাজার দর্শকের হর্ষধ্বনি আকাশ ছুঁয়েছিল। আইম্যাক্স (IMAX) ফরম্যাটে নির্মিত এই ছবি ভারতীয় সিনেমার সংজ্ঞাই বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।





