ভালোবাসার মাসুল দিতে হবে প্রাণ দিয়ে? বাবার দেওয়া বিষ মেশানো পায়েস খেয়ে মৃত্যুর মুখে কুসুম!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিকের পর্দায় এবার এক ভয়ঙ্কর ট্র্যাজেডির সাক্ষী হতে চলেছেন দর্শকরা। ভালোবাসা যেখানে অপরাধ, আর জেদ যেখানে রক্তের সম্পর্কের চেয়েও বড়— ঠিক এমনই এক চরম মুহূর্ত ফুটে উঠল ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোতে। আয়ুষ্মান ও কুসুমের ভালোবাসাকে মেনে নেওয়া তো দূরস্ত, নিজের মেয়েকেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কুসুমের বাবা!

ধারাবাহিকের গল্পে প্রথম থেকেই আয়ুষ্মান ও কুসুমের সম্পর্কের পথে প্রধান কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কুসুমের বাবা। দেবীমাকে দেওয়া কথা রাখতে তিনি শুরু থেকেই এই প্রেমের বিরোধিতা করে এসেছেন। কিন্তু মন কি আর শাসন মানে? শত বাধা বিপত্তি এবং ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে অবশেষে যখন আয়ুষ্মান ও কুসুম একে অপরের কাছে আসার সুযোগ পেল, তখনই ধেয়ে এল কালবৈশাখী।

নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, আয়ুষ্মান ও কুসুমকে একসঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন কুসুমের বাবা। বারবার বারণ করার পরেও নিজের মেয়ের এই অবাধ্যতা তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না। একদিকে দেবীমার প্রতি অগাধ ভক্তি এবং আনুগত্য, অন্যদিকে নিজের মেয়ের জীবনের সুখ— এই টানাপোড়েনে তিনি বেছে নিলেন এক মর্মান্তিক পথ। তিনি ঠিক করেন, কুসুমের ভালোবাসাকে জয়ী হতে দেওয়ার চেয়ে তাকে মেরে ফেলা অনেক ভালো।

এরই মধ্যে কুসুম এসে বাবাকে বলে তার খুব খিদে পেয়েছে। মেয়ের এই সহজ সরল অনুরোধকেই মরণফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করেন তিনি। পায়েসের বাটিতে মিশিয়ে দেন প্রাণঘাতী বিষ। মনে মনে আক্ষেপ করলেও দেবীমাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় তিনি অটল। কুসুম কি কিছুই বুঝতে পারেনি? প্রোমো ইঙ্গিত দিচ্ছে, কুসুম বাবার হাতের খাবারে বিষ থাকার বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছিল। তবুও বাবার প্রতি অন্ধ বিশ্বাস আর একরাশ অভিমান নিয়ে সে সেই পায়েস মুখে তোলে। সে মনে মনে বলে, বাবা যা দেবে সে তাই খেয়ে নেবে।

পায়েস খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষক্রিয়ায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কুসুম। ছটফট করতে থাকা মেয়ের এই দৃশ্য দেখে শিউরে উঠছেন দর্শকরা। প্রশ্ন উঠছে, শুধুমাত্র ইন্দ্রাণীর জেদ আর দেবীমার মান রাখতে একজন বাবা এতটা নিষ্ঠুর হতে পারেন? আয়ুষ্মান কি শেষ মুহূর্তে পৌঁছে বাঁচাতে পারবে তার ভালোবাসা কুসুমকে? নাকি এই বিষই হবে কুসুম-আয়ুষ্মানের প্রেমকাহিনীর শেষ অধ্যায়? টানটান উত্তেজনায় ভরা এই এপিসোড দেখতে এখন টিভির পর্দায় চোখ সকলের।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy