‘দিদি হচ্ছে দুয়া’! জন্মদিনের পরই ফের খুশির হাওয়া দীপিকা-রণবীরের সংসারে, মুহূর্তে ভাইরাল ছবি

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত তারকা জুটি দীপিকা পাডুকোন এবং রণবীর সিংয়ের ঘরে ফের এক খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ছিল তাঁদের প্রথম সন্তান, অর্থাৎ ফুটফুটে মেয়ে দুয়ার দ্বিতীয় জন্মদিন। আর এই বিশেষ দিনটিকেই বেছে নিয়ে ভক্তদের জন্য জোড়া আনন্দের চমক নিয়ে হাজির হলেন এই তারকা দম্পতি। একদিকে মেয়ের জন্মদিনের মিষ্টি মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি, দীপিকা তাঁর দ্বিতীয়বার মাতৃত্বকালীন ফটোশুটের দারুণ কিছু দৃশ্যও অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দীপিকা ও রণবীরের শেয়ার করা সেই যৌথ পোস্টটি প্রকাশ্যে আসতেই তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। পোস্টটিতে দেখা যাচ্ছে, ছোট্ট দুয়া নিজের হাতে একটি পজিটিভ প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ধরে রয়েছে। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে এসেছে দীপিকার বেবি বাম্পের বেশ কিছু নতুন ও নজরকাড়া ছবি। যা দেখে উচ্ছ্বসিত গোটা নেটপাড়া।
তবে এই সমস্ত খবরের মাঝেই নেটিজেনদের চোখ আটকেছে অন্য একটি আকর্ষণে। অবশেষে দীপিকা এবং রণবীর তাঁদের আদরের রাজকন্যার মুখ প্রথমবার বিশ্বের সামনে প্রকাশ্যে এনেছেন। আর তাতেই ইন্টারনেট জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। ভক্তদের একাংশের জোরালো দাবি, ছোট্ট দুয়া দেখতে হুবহু তার বাবা রণবীর সিংয়ের মতো হয়েছে। নেটিজেনরা দুয়ার বর্তমান ছবির সঙ্গে রণবীরের ছোটবেলার ছবি কোলাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। কেউ লিখেছেন, “প্রথম সন্তান নাকি সাধারণত বাবার চেহারা পায়, দীপিকা-রণবীরের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হলো না।” আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, “জিন কখনও মিথ্যে বলে না, দুয়া একদম রণবীরের কার্বন কপি।”
চলতি বছরের গত ১৯ এপ্রিল থেকেই দীপিকার দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনা দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। অবশেষে মেয়ের জন্মদিনের মঞ্চকে কাজে লাগিয়েই সেই জল্পনায় সিলমোহর দিলেন এই জুটি। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে সঞ্জয় লীলা বনশালীর ‘গলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ছবির সেটে প্রথম শুরু হয়েছিল দীপিকা ও রণবীরের প্রেমের গল্প। দীর্ঘ সম্পর্কের পর ২০১৮ সালে ইতালির মনোরম লেক কোমোতে এক রাজকীয় ও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তাঁরা। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাঁদের প্রথম সন্তান দুয়ার জন্ম হয়।
সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সম্মেলনে মাতৃত্বের এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে শোনা গিয়েছিল দীপিকাকে। তিনি জানিয়েছিলেন, সন্তান আসার পর তাঁর জীবনের সমস্ত অগ্রাধিকার ও লক্ষ্য পুরোপুরি বদলে গেছে। এতদিন তাঁর পুরো জীবনটা শুধুই নিজের ক্যারিয়ার, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নকে কেন্দ্র করে ঘুরত, কিন্তু এখন অন্য একটি ছোট্ট প্রাণ সম্পূর্ণভাবে তাঁর ওপর নির্ভরশীল। দীপিকা চান, গ্ল্যামার দুনিয়ার বর্হিজগৎ ও অতিরিক্ত জাঁকজমক থেকে মেয়েকে দূরে রেখে এক্কেবারে সাধারণ ও সুরক্ষিত পরিবেশে বড় করে তুলতে, ঠিক যেভাবে তাঁর নিজের বাবা-মা তাঁকে অত্যন্ত মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে বড় করেছিলেন।