বলিউডের গ্ল্যামার জগত থেকে দূরে সরে গিয়ে অস্ট্রিয়াতে সংসার পেতেছিলেন প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া সেলিনা জেটলি। কিন্তু সেই ‘ফেয়ারিটেল’ বা রূপকথার আড়ালে যে কী ভয়ানক অন্ধকার লুকিয়ে ছিল, তা এবার প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী। স্বামী পিটার হ্যাগের (Peter Haag) বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা ও নিষ্ঠুরতার অভিযোগ তুলে মুম্বইয়ের আদালতে মামলা করেছেন তিনি। সেলিনা জানিয়েছেন, এই দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি কেবল শারীরিক নয়, তীব্র মানসিক ও মৌখিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
সেলিনা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এক গভীর সত্য তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “গার্হস্থ্য হিংসা কখনও আচমকা শুরু হয় না। এর শুরুটা হয় খুব সুন্দর ভাবে—অঢেল ভালোবাসা, বড় বড় প্রতিশ্রুতি আর একে অপরের প্রতি অতিনির্ভরশীলতা দিয়ে। যখন প্রথমবার আঘাতের পর অপরাধী এসে ক্ষমা চায়, তখন মনে হয় সব ঠিক হয়ে যাবে। এই মিথ্যে আশাটুকুই একটা সময়ের পর মাদকের মতো কাজ করে, যা আপনাকে ওই বিষাক্ত সম্পর্কে আটকে রাখে।” সেলিনা আরও যোগ করেন যে, এই পরিস্থিতির জেরে তাঁর আত্মবিশ্বাস তলানিতে ঠেকেছিল।
২০২৫-এর নভেম্বরে সেলিনা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে তাঁর তিন সন্তান অস্ট্রিয়াতে পিতার কাছেই রয়েছে। সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে না পারা এবং তাঁদের ‘হারানো’র বেদনা সেলিনাকে আরও বিধ্বস্ত করে দিয়েছে। ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে সেলিনার সেই দীর্ঘ লড়াই এবং একজন স্বাবলম্বী মহিলার কীভাবে এক ‘নার্সিসিস্ট’ সঙ্গীর জালে জড়িয়ে পড়ার গল্প বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।