মহেশ ভাট এখন দাদু হিসেবে জীবনের এক নতুন অধ্যায় উপভোগ করছেন। তাঁর মতে, আলিয়ার অভাবনীয় সাফল্য যখন তাঁকে মুগ্ধ করছিল, ঠিক তখনই রাহার আগমনে তাঁর জগত বদলে গিয়েছে। রাহার উপস্থিতি তাঁকে জীবনের এক নিরন্তর ধারার কথা মনে করিয়ে দেয়।
জীবনের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
মহেশ ভাট জানান, রাহা তাঁকে সময়ের প্রকৃত অর্থ বুঝতে শিখিয়েছে। নিজের মেয়েকে মা হিসেবে দেখা এবং নাতনির বেড়ে ওঠার সাক্ষী হওয়া— এই সবটাই তাঁর কাছে এক আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার মতো। তাঁর কথায়, “আমি যখন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখি আমার মেয়ে এবং তারপর তার সন্তান আসছে, তখন জীবনের সেই হাজার বছরের প্রবাহটি অনুভব করতে পারি যা আমার পরেও বয়ে চলবে।”
হিন্দি ভাষার যোগসূত্র
একটি মজার তথ্য ভাগ করে নিয়ে মহেশ জানান, পরিবারের সবাই রাহার সাথে ইংরেজিতে কথা বললেও তিনি জেদ করেই হিন্দিতে কথা বলেন। এতেই আলিয়া মজার ছলে তাঁকে বলেছিলেন, “রাহার জীবনে তোমার একমাত্র অবদান বোধহয় ওকে হিন্দি শেখানোই হবে!” মহেশ ভাটের কাছে দিনের শেষে একবার নাতনির সাথে কথা বলতে পারাটাই এখন পরম শান্তি।





