বলিউডের অন্দরে অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের পারিশ্রমিকের আকাশ-পাতাল তফাত নিয়ে এবার মুখ খুললেন সইফ আলি খান। সোমবার ৯ মার্চ ২০২৬, একটি সাক্ষাৎকারে সইফ দাবি করেন, পারিশ্রমিকের অঙ্কটা মূলত নির্ভর করে বাজারের চাহিদা এবং বক্স অফিসে কে কতটা দর্শক টানতে পারছেন তার ওপর। সইফের মতে, “যদি দুজন শিল্পী সমমানের জনপ্রিয় হন এবং তাঁদের ছবি দেখার জন্য দর্শক সমানভাবে প্রেক্ষাগৃহে আসেন, তবেই তাঁদের সমান টাকা পাওয়া উচিত।”
কিন্তু সইফের এই যুক্তি মানতে নারাজ নেটিজেনদের একাংশ। প্রশ্ন উঠেছে, যখন আলিয়া ভাট ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’ বা কঙ্গনা রানাওয়াত ‘কুইন’-এর মতো ছবি একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান এবং বক্স অফিসে সুপারহিট করান, তখনও কেন তাঁরা অনেক মাঝারি মানের নায়কদের চেয়ে কম পারিশ্রমিক পান? সইফ অবশ্য মনে করেন, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি একটি ব্যবসা, আর এখানে বিনিয়োগ ফিরে আসার গ্যারান্টি যার বেশি, তার পারিশ্রমিকও স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়।
সইফের এই মন্তব্যকে অনেকে ‘পুরুষতান্ত্রিক’ বলে দাগিয়ে দিলেও, অভিনেতা নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি মনে করেন, লিঙ্গ নয় বরং ‘স্টার পাওয়ার’ই শেষ কথা বলে। তবে দীপিকা পাড়ুকোন বা প্রিয়াঙ্কা চোপড়াদের মতো অভিনেত্রীরা যখন আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের প্রমাণ করছেন, তখন সইফের এই ‘জনপ্রিয়তা’র তত্ত্ব কতটা ধোপে টেকে, সেটাই এখন দেখার। এই বিতর্ক আপাতত থামার লক্ষণ নেই।