খাবার খাওয়ার ধরন দেখলে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বোঝা সম্ভব। খাওয়ার সময় এবং ধরনের উপর যে শরীরের ওজন বাড়া-কমা নিয়ন্ত্রণ করে, এ কথা তো সকলেই…
জ্বরের হলেই জ্বরঠোসা ওঠে অনেকের ঠোঁটের কোণে। এক্ষেত্রে ঠোঁটের আশপাশে ছোট ছোট একগুচ্ছ ফুসকুঁড়ি দেখা দেয়। যা প্রচণ্ড ব্যথা ও চুলকানির সৃষ্টি করে।…
নারীর সাজসজ্জায় ব্লাশনের ব্যবহার বহুদিনের পুরোনো। আগেকার দিনে বিভিন্ন ফুল ও ফলের রস ব্যবহার করা হতো ব্লাশন হিসেবে। এখন বিভিন্ন রকমের ব্লাশন কিনতে…
ঘরে-বাইরে, সরকারি-বেসরকারি যে যেমন সংস্থাতেই কাজ করুন না কেন, মানসিক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় কম-বেশি সকলকেই। ফলে এর প্রভাব পড়ে শারীরিক ও…
শহরে শীতের আমেজ টের পেতে একটু দেরি হয়ে যায়। তবে ফলের বাজারের দিকে তাকালে হাতছানি দিয়ে ডাকতে শুরু করেছে শীতের ফলগুলো। এসব ফল…
বাংলাদেশ তথা পুরো বিশ্ব প্রতিনিয়ত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের পথে হাঁটছে। উন্নয়নের পথে বলি হচ্ছে মানুষের সুস্বাস্থ্য, বিশেষ করে শ্বাসতন্ত্র। দিনে দিনে ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ বাড়ছে। তাছাড়া শীতকাল একটি শুষ্ক মৌসুম। ঠান্ডা তাপমাত্রার এই দিনগুলোয় আর্দ্রতা খুবই কমে যায়। ফলে এ সময়ে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বাড়ে। পাশাপাশি এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বাড়ে। শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বলতে কী বোঝায়? শ্বাসনালির সংক্রমণ বলতে শ্বাসনালির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন রোগকে বোঝায়। এ ধরনের সংক্রমণকে সাধারণত উচ্চ বা নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। বাইরে থেকে জীবাণুর (যেমন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ইত্যাদি) প্রবেশ যেমন সংক্রমণ ঘটায়, তেমনি পরিবেশের বিরূপ প্রভাবের কারণেও বিভিন্ন রোগ তৈরি হতে পারে। উচ্চ শ্বাসতন্ত্র: উচ্চ শ্বাসতন্ত্র বলতে নাক থেকে স্বরযন্ত্র (ল্যারিংস) বোঝায়। এখানে সংক্রমণের মধ্যে টনসিলাইটিস, ফ্যারিনজাইটিস, ল্যারিনজাইটিস, সাইনোসাইটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সর্দি ইত্যাদি অন্যতম। সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, টনসিলে প্রদাহ, সাইনাসে সংক্রমণ ও প্রদাহ, গলা ভাঙা ইত্যাদি উচ্চ শ্বাসতন্ত্রের রোগের উপসর্গ। নিম্ন শ্বাসতন্ত্র: শ্বাসনালি (ট্রাকিয়া) থেকে ফুসফুস পর্যন্ত অংশকে নিম্ন শ্বাসনালি বোঝায়। শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, কাশি, বুকে ব্যথা এবং ফ্লেম বা শ্লেষ্মার সঙ্গে রক্তপাত ইত্যাদি লক্ষণ নির্দেশ করে যে ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের কোনো রোগ বিদ্যমান। নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ উচ্চ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর রোগ ও জটিলতা তৈরি করে। কারণ – জীবাণু – ধূমপান ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ – বিশ্রামহীন জীবনযাপন – অপুষ্টি – অতিরিক্ত ইসাইক্লিক ওষুধ গ্রহণ জীবাণু: ফুসফুসের বেশির ভাগ জীবাণুঘটিত সংক্রমণ কাশি, হাঁচি, মুখ নিঃসৃত ড্রপলেটের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ধূমপান: ফুসফুসে অসুখ বা অন্যান্য সমস্যা হওয়ার অন্যতম কারণ ধূমপান। অধূমপায়ীর তুলনায় ধূমপায়ীদের ফুসফুসে নানা সমস্যা হয়। শুধু তা-ই নয়, ধূমপানের কারণে ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা ১০ থেকে ৩০ গুণ বেশি। এ ক্যান্সারে মৃত্যুর প্রায় ৮০ শতাংশের জন্য ধূমপানকে দায়ী করা হয়। বায়ুদূষণ: বায়ুদূষণ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের একটা বড় মাধ্যম। বায়ুতে স্বাভাবিক অক্সিজেনের পরিমাণ থাকে ২১ শতাংশ। যদি কোনো কারণে এর ঘাটতি হয়ে অন্য গ্যাসের ঘনত্ব বা বালুকণার পরিমাণ বেড়ে যায়, তবেই তাকে দূষিত বায়ু বলে। আর সেই বায়ু গ্রহণের ফলে অনেকেই ফুসফুসের নানা রোগে আক্রান্ত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ফুসফুসের ক্যান্সারের মৃত্যুর ৫ শতাংশ বায়ুদূষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া হাঁপানি (অ্যাজমা) রোগ বৃদ্ধি করে, বিভিন্ন রকম বাতাসে ভাসমান কণা ফুসফুসে জমা হয়ে জটিল রোগ তৈরি করে। পাশাপাশি এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমতে থাকে বিধায় দূষিত এলাকার মানুষ জীবাণুর আক্রমণে বেশি রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশে জীবাণুর সংক্রমণ ও পরিবেশ দূষণ বেশি। বংশগত: পরিবারের কোনো সদস্য ফুসফুসসংক্রান্ত কোনো রোগ বা ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে অন্যদেরও ঝুঁকি থাকে; এমনকি যাদের মা-বাবা বা ভাই-বোন ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত, তারা নিজেরা ধূমপান না করলেও এ রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। রাসায়নিক সামগ্রী ব্যবহার: বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বিভিন্ন রকম শ্বাসতন্ত্রের রোগের প্রত্যক্ষ কারণ। খাদ্যাভ্যাস: কিছু খাবারকে দায়ী করা হয় ফুসফুসের জটিলতার জন্য। যেমন অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় ও কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাবার। রোগের লক্ষণ – কাশি – শ্বাসকষ্ট – শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় শব্দ হতে পারে – শারীরিক দুর্বলতা – ঘন ঘন প্রস্রাব…
ইংরেজি নাম অ্যাজমা এবং বাংলায় হাঁপানি বলা হয়; যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ-করে শ্বাস নেয়া। হাঁপানি বা অ্যাজমা ফুসফুস এবং শ্বাসনালির প্রদাহজনিত রোগ।…
কিছু মানুষ রয়েছেন, যারা আমাদের জীবনে ভিন্ন ধরনের প্রভাব ফেলে। তারা আমাদের লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা অর্জনে সহায়তা করে। সেসব মানুষের দেওয়া দিক-নির্দেশনা পেশাগত…
দৃষ্টি সমস্যাটি স্বাভাবিক। চোখের এ সমস্যায় চশমা পরতে হয়। এতে দৃষ্টি সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না বটে, তবে দেখার সুবিধা হয়। যেহেতু দৃষ্টি…
সুন্দর কোমল ত্বকে কালচে দাগ চায় না কেউই। এই যেমন হাঁটু বা কনুইয়ের ত্বকে কালচে দাগ। কনুইতে চাপ দিয়ে বসার কারণেই মূলত কালো…
প্রতিদিন আমাদের কোনো না কোনো কাজে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করতে হয়। তবে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-মানা করাই কষ্ট তাই আমরা সিঁড়িটাকে এড়িয়ে চলতে পছন্দ…
করোনাভাইরাস মহামারীর আগেই ক্যান্সার বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। নতুন এক গবেষণার ইঙ্গিত কোভিড-১৯-এর পর এবার ক্যান্সারও নিতে পারে মহামারীর আকার। কোভিডের…
শীতকালে বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা বেড়ে যায় হুট করেই। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে উইন্টার ব্লুজ নামক মানসিক বিষণ্ণতাও দেখা দেয় অনেকের। তবে এই আবহাওয়ার…
লৌহ বা আয়রন আমাদের শরীরের অন্যতম অতি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। রক্তের লোহিত কণিকা তৈরির কাঁচামাল। এর অভাবে লোহিত কণিকা তৈরি হতে পারে না।…
অনেকেরই একটি ভুল ধারণা শুধু শীতকালেই আমাদের পা কিংবা পায়ের গোড়ালি ফাটে। আসলে বছরের যেকোনো সময় এটা ঘটতে পারে। তবে শীতকালে কিছু কারণে…
পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৬ শতাংশ সপ্তাহে দুবার বিছানা ভেজায়। ১০ বছর বয়সীদের প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে।…
শীতকাল মানেই খাওয়াদাওয়ার মৌসুম। পিকনিক, বিয়েবাড়ি তো লেগেই আছে সঙ্গে রয়েছে ক্রিসমাস। শীতকাল শুরু হলেই কেক, পিঠেপুলি না খেলেই নয়। সব মিলিয়ে যাদের…
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। চিকিৎসকেরা উচ্চ রক্তচাপকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলে থাকেন। এই রোগ শরীরে একবার বাসা বাঁধলে নিমেষেই শেষ হয়ে যেতে…
দেশে জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু করেছে। কোনো কোনো জেলায় শৈত্যপ্রবাহও চলছে। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আলমারির গরম এরই মধ্যে গায়ে জড়িয়েছেন অনেকে। উত্তরে তুষারপাতের…
ডায়াবেটিস একটি জটিল বিপাকীয় রোগ, যা অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা কমায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস শরীরের গুরুত্বপূর্ণ সব অঙ্গে ক্ষতিকর…