অন্যকে বারণ নিজে করি ভীষণ! রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে কড়াকড়ির মাঝেই বড় ভোলবদল ট্রাম্পের

অন্যান্য দেশকে রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির জন্য কড়া শুল্কের মুখে পড়তে হলেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে এক অদ্ভুত ও নাটকীয় দ্বিমুখিতা দেখা গেল। এক দশক ধরে চলা কঠোর নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল ভেঙে এবার খোদ রাশিয়া থেকেই সাময়িকভাবে বিশাল পরিমাণ ডিজেল আমদানি করতে চলেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশ রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনলেই ওয়াশিংটনের কোপানলে পড়ছে, সেখানে খোদ মার্কিন মুলুকে রুশ ডিজেল প্রবেশের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পক্ষে সাফাই গেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আমেরিকান জনগণের অর্থনৈতিক স্বস্তি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ স্বার্থ রক্ষা করাই তাঁর প্রশাসনের প্রধান ও সর্ব্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সাধারণ মানুষের জ্বালানি খরচ কমাতে এবং বাজারের জোগান স্বাভাবিক রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে, এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়া থেকে বিশাল অংকের জ্বালানি কেনা সত্ত্বেও সংবাদমাধ্যম সেই খবর চেপে যাচ্ছে এবং একপেশেভাবে মার্কিন পদক্ষেপের সমালোচনা করছে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের এই স্ববিরোধী নীতি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।