যন্তর মন্তরে যাওয়ার অপরাধ! ফের দিল্লি পুলিশের জালে ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতা

দিল্লি পুলিশের কড়া নির্দেশিকা অমান্য করে যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করতেই ফের বড়সড় বিপাকে পড়ল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা CJP। জানা গিয়েছে, ফের দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এই রাজনৈতিক দলের দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। শুধু এই দু’জনই নন, তাঁদের সঙ্গে আটক হয়েছেন অজিঙ্কা শিন্ডেও। এদিন দলীয় কয়েজন সমর্থক ও সঙ্গীকে নিয়ে যন্তর মন্তরের দিকে এগোতেই তাঁদের পথ আটকায় দিল্লি পুলিশ এবং সেখান থেকেই তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত কালই রাজধানী দিল্লির অন্যতম প্রধান প্রতিবাদ বা বিক্ষোভস্থল হিসেবে ‘যন্তর মন্তর’-এর নাম বাদ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল দিল্লি পুলিশ। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই ঐতিহাসিক স্থানে আর আগের মতো অবাধে বিক্ষোভ বা ধর্না প্রদর্শন করা যাবে না। কিন্তু পুলিশের এই নতুন বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি উপেক্ষা করেই এদিন যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন CJP নেতৃত্ব। আর তার পরই তড়িৎ গতিতে আসরে নামে দিল্লি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকেই আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস ও অজিঙ্কা শিন্ডেকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

রাজনৈতিক মহলের মতে, যন্তর মন্তর নিয়ে পুলিশের জারি করা নতুন নিয়মের প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। তবে যেভাবে পরপর CJP নেতাদের আটক করা হচ্ছে, তাতে রাজধানীর রাজনৈতিক পারদ যে ক্রমশ চড়ছে, তা বলাই বাহুল্য। পুলিশি হেনস্থা ও আটকের এই ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির অন্দরে তীব্র অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। দলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।