“তারা সাংবিধানিকতা নয়, নৈরাজ্য চায়!” রাহুল-প্রিয়াঙ্কার রাস্তা কাঁপানো বিক্ষোভ নিয়ে হুংকার সুধাংশু ত্রিবেদীর

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের অভিযোগ তুলে বুধবার দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখায় ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোট। যন্তর মন্তরে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ একাধিক বিরোধী সাংসদ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দিল্লি পুলিশ রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করে এবং পরে ছেড়ে দেয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে তীব্র আক্রমণ শানাল শাসক দল বিজেপি।
দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেসের প্রথম পরিবারকে নিশানা করে বিজেপি মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “কংগ্রেসের প্রথম পরিবার দিল্লির রাস্তায় আজ যা করেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয়।” তাঁর দাবি, এতে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার দল সাংবিধানিক নিয়মনীতি বা মার্জিত রাজনীতি নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নয়, তাদের একমাত্র লক্ষ্য দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা।
কটাক্ষ করে সুধাংশু আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যখন খোদ তাদের সঙ্গে দেখা করতে এবং কথা বলতে প্রস্তুত ছিল, তখন তারা সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। অথচ ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার, প্রধান বিচারপতি বা সিএজি-কে আদালতের কাঠগড়ায় বা রাজনৈতিক মঞ্চে এভাবে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো যায় না। এই ধরনের আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এখানে আপনাদের কোনো সাংবিধানিক অধিকারের লড়াই চলছে না, বরং এটি সম্পূর্ণভাবে আপনাদের পরিবারের অহংকার ছাড়া আর কিছু নয়।”
এদিকে উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের আসন সমঝোতা নিয়েও খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপি নেতা। সবমিলিয়ে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার এই বিক্ষোভ এবং বিজেপির পাল্টা আক্রমণ ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে এখন চরম পারদ চড়েছে।