টাইব্রেকার নয়, সরাসরি ৯০ মিনিটেই খেলা শেষ! মোহনবাগান মহারণের আগে কি হুংকার ছাড়লেন হাবাস?

‘৯০ মিনিটেই ম্যাচ জিততে চাই’, শিল্ড ফাইনালের আগে হাবাসের মাস্টারপ্ল্যান ও হুংকার

ডুরান্ড কাপ ফাইনালের মিষ্টি স্মৃতি পেছনে ফেলে এবার আইএফএ শিল্ডের খেতাবি লড়াইয়ে ফের মোহনবাগানের মুখোমুখি হতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। মেগা ফাইনালের আগে দলের প্রস্তুতি, জাতীয় দল থেকে ফেরা ফুটবলারদের ফিটনেস এবং আসন্ন এএফসি ম্যাচের বাড়তি চাপ—সব বিষয় নিয়েই দারুণ সতর্ক লাল-হলুদ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। তবে কোনও অজুহাত দিতে নারাজ এই স্প্যানিশ ট্যাক্টিশিয়ান। তাঁর চোখ সরাসরি ট্রফিতে এবং লক্ষ্য একটাই—৯০ মিনিটের মধ্যেই খেলার ফয়সালা করা।

ফাইনালের আগে দলের মানসিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে হাবাস জানান, তাঁরা ১০০ শতাংশ প্রস্তুত এবং নিজেদের খেলোয়াড়দের ওপর তাঁর সম্পূর্ণ ভরসা রয়েছে। প্রতিপক্ষকে পূর্ণ সম্মান জানিয়েও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই ফাইনাল ম্যাচটি ডুরান্ড কাপের লড়াইয়ের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হতে চলেছে। বিশেষ করে জাতীয় দলের হয়ে সদ্য খেলে ফেরা ফুটবলারদের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির দিকটি মাথায় রেখে প্রথম একাদশ সাজানোর কথা ভাবছেন তিনি। মোহনবাগানের তুলনায় তাঁদের প্রস্তুতির সময় কিছুটা কম থাকলেও সেই ঘাটতিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে নারাজ তিনি।

টাইব্রেকার বা পেনাল্টি শুটআউটের প্রসঙ্গ উঠলে স্বভাবসুলভ মেজাজেই তা উড়িয়ে দেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইথের সাম্প্রতিক পেনাল্টি সেভ নিয়ে চর্চা থাকলেও হাবাস পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, টাইব্রেকারে ম্যাচ জেতার মধ্যে তিনি কোনো বিশেষ কৃতিত্ব দেখেন না। তাঁর সাফ কথা, ম্যাচ ৯০ মিনিটেই শেষ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ট্রফি ঘরে তুলতে হবে লাল-হলুদ শিবির। এখন দেখার, হাই-ভোল্টেজ এই ডার্বিতে হাবাসের এই আক্রমণাত্মক রণকৌশল মাঠে কতটা সফল হয়।