পুরুষদের শরীরে এই ৮টি লক্ষণ দেখা দিলেই সাবধান! ক্যানসারের থাবায় নিঃশব্দে শেষ হচ্ছে না তো জীবন?

রুষদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার দিন দিন আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে সাধারণ শারীরিক সমস্যা বা ক্লান্তি ভেবে অবহেলা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে বলছেন, সময়মতো ক্যানসার ধরা পড়লে তা নিরাময় করা সম্ভব। তাই শরীরের দেওয়া ছোট ছোট সতর্কবার্তাগুলো উপেক্ষা করা মারাত্মক ভুল হতে পারে। নিচে পুরুষদের জন্য ক্যানসারের ৮টি অত্যন্ত বিপজ্জনক লক্ষণ আলোচনা করা হলো, যা দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রথমত, দীর্ঘস্থায়ী ওজন হ্রাস। কোনো রকম ডায়েটিং বা ব্যায়াম ছাড়াই যদি হঠাৎ করেই শরীরের ওজন দ্রুত কমতে শুরু করে, তবে তা প্রস্টেট, প্যানক্রিয়াস বা ফুসফুসের ক্যানসারের প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে। দ্বিতীয়ত, অকারণে ক্লান্তি। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও যদি সর্বক্ষণ চরম ক্লান্তি বা দুর্বলতা ঘিরে ধরে, তবে এটি রক্তাল্পতা বা লিউকেমিয়ার মতো রক্তের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। তৃতীয়ত, ত্বকের অস্বাভাবিক পরিবর্তন। ত্বকে নতুন তিল বা আঁচিলের আকার, রঙ বা সীমানা বদলানো কিংবা কোনো ক্ষত দীর্ঘদিন না শুকানো স্কিন ক্যানসারের মারাত্মক লক্ষণ।
চতুর্থত, অন্ত্রের অভ্যাসে আকস্মিক পরিবর্তন। মলত্যাগের অভ্যাসে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন, মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া কিংবা বারবার ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কোলন ক্যানসারের সংকেত দিতে পারে। পঞ্চমত, গিলতে সমস্যা। খাদ্যনালীতে কোনো কিছু গিলতে যদি ব্যথা হয় বা আটকে যায়, তবে তা গলা বা পাকস্থলীর ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। ষষ্ঠত, দীর্ঘমেয়াদী কাশি ও কফের সঙ্গে রক্ত। দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকা এবং কফের সঙ্গে রক্ত যাওয়া ফুসফুসের ক্যানসারের অন্যতম প্রধান বিপদ সংকেত।
সপ্তমত, প্রস্রাবে পরিবর্তন। প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া, প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাবের বেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হলে তা প্রস্টেট বা মূত্রাশয়ের ক্যানসারের উপস্থিতি নির্দেশ করে। অষ্টমত, শরীরের যেকোনো অংশে অস্বাভাবিক পিণ্ড বা ফোলাভাব। অণ্ডকোষে বা শরীরের অন্য কোনো অংশে ব্যথা ছাড়া কোনো শক্ত পিণ্ড অনুভূত হলে তা অবিলম্বে পরীক্ষা করানো দরকার।