২০২৭ ওয়ান ডে বিশ্বকাপের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ! কবে কার বিরুদ্ধে লড়াই টিম ইন্ডিয়ার?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৭ সালে পুরুষদের একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সম্পূর্ণ সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। বৃহস্পতিবার সামনে আসা এই সূচি ঘিরেই এখন থেকেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ার যৌথ আয়োজনে হতে চলা এই মেগা টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ থেকেই শুরু হচ্ছে হাই-ভোল্টেজ লড়াই।

২০২৭ সালের ৭ অক্টোবর কেপটাউনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে টিম ইন্ডিয়া। গত বিশ্বকাপের ফাইনালে অজিদের কাছে হারের পর এই ম্যাচটি যে ভারতের কাছে একপ্রকার বদলার লড়াই হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর ঠিক তিন দিন পর, অর্থাৎ ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটি মাঠে গড়াবে আগামী ২০২৭ সালের ২ অক্টোবর, উইন্ডহোকে। দীর্ঘ এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২১ নভেম্বর।

১২দলের লড়াই, কোন গ্রুপে কে?

দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়ে সহ-আয়োজক হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের কাট-অফ অনুযায়ী আইসিসি ওয়ান ডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে আরও আটটি দল সরাসরি টিকিট নিশ্চিত করেছে। বাকি চারটি দল আসবে কোয়ালিফায়ার ও সুপার সিরিজ খেলে। মোট ১৪টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে:

  • গ্রুপ এ: ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং প্রথম যোগ্যতা অর্জনকারী দল।

  • গ্রুপ বি: দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং দ্বিতীয় যোগ্যতা অর্জনকারী দল।

সুপার সেভেন ও ফাইনালের রোমাঞ্চ

গ্রুপ পর্বের পর প্রতিটি গ্রুপের প্রথম তিনটি দল এবং চতুর্থ স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে পয়েন্টের ভিত্তিতে সেরা একটি দল নিয়ে শুরু হবে সুপার ৭ পর্ব (Super 7)। ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বরের মধ্যে এই পর্বের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পয়েন্ট তালিকার সেরা চারটি দল উঠবে সেমিফাইনালে।

  • প্রথম সেমিফাইনাল: ১৭ নভেম্বর, কেপ টাউন।

  • দ্বিতীয় সেমিফাইনাল: ১৮ নভেম্বর (উভয় সেমিফাইনালের জন্যই রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে)।

  • মহাফাইনাল: ২১ নভেম্বর, জোহানেসবার্গ (রিজার্ভ ডে ২২ নভেম্বর)।

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে ক্রিকেটকে আরও বেশি করে পৌঁছে দিতে সাশ্রয়ী মূল্যের টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, যাতে পরিবার ও তরুণ প্রজন্ম সপরিবারে মাঠে বসে খেলা উপভোগ করতে পারে।