পুজোয় কি পণ্ড হবে শপিং? আকাশে বৃষ্টির ভ্রূকুটি নাকি স্বস্তি! জেনে নিন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বড় আপডেট

পুজো মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে আনন্দের জোয়ার। কেনাকাটা, হইচই আর খাওয়া-দাওয়ায় মেতে ওঠার ঠিক প্রাক্কালে আবহাওয়ার মেজাজ নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আকাশে কি তবে ফের কালো মেঘের আনাগোনা? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে ভারী বৃষ্টির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বেশ ভালোই ভোগাবে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে বর্ষা বিদায়ের পথ প্রশস্ত হয়েছে এবং আগামী দুদিনের মধ্যে সেখান থেকে পুরোপুরি বর্ষা বিদায় নেবে। এর মাঝেই তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ ও অসমে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার কারণে শুক্রবার ও শনিবার উপকূলবর্তী এবং কিছু নির্দিষ্ট জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা থাকলেও বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস নেই। শনি থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে, তবে ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি বজায় থাকবে।

উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও ভারী বৃষ্টির কোনো কালো মেঘ নেই। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি—এই ওপরের দিকের পাঁচটি জেলায় শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার থেকে সেখানেও আবহাওয়া অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কলকাতার আকাশ আজ মূলত আংশিক মেঘলা থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা থাকলেও ভারী বৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই। শনিবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও কমবে। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৬ থেকে ৯৬ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তি বহাল থাকবে। উৎসবের ঠিক আগে আপাতত বড় কোনো বৃষ্টির চোখরাঙানি না থাকায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন শহরবাসী।