নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচারেই বড় ধাক্কা! পুলিশি হেনস্থার মুখে পড়ে বিস্ফোরক দাবি কংগ্রেস নেতাদের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচারের শুরুতেই চরম রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের সমর্থনে প্রচারে নামার আগেই হোটেল থেকে আটক করা হলো দুই বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতাকে। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের হয়ে প্রচারে অংশ নিতে এসেছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও সমাজকর্মী মানিক ফকির এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা আন্দোলনের মুখ সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস। বুধবার চণ্ডীপুরের একটি গেস্ট হাউস থেকে তাঁদের আটক করে নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাসকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মানিক ফকিরকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এই ঘটনার পরেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। সদ্য কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্ত হওয়া কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের প্রচার বানচাল করতেই এই পুলিশি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতারা। মানিক ফকির অভিযোগ করেছেন, নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চাইলেও বিরোধীদের প্রচারে বাধা দিতে সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এবং এআইসিসি (AICC)-র পর্যবেক্ষক প্রকাশ যোশী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে একে ‘অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী’ বলে অভিহিত করেছেন। অবিলম্বে আটক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং অবাধ প্রচারের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে হাত শিবির।